• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
সরকার একদলীয় শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জামায়াত আমির দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় ঢাকা সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছে অবৈধ মাদক পাচার: জাতিসংঘ মহাসচিব দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণের উদ্যোগে নতুন অগ্রগতি হরমুজ প্রণালিতে নতুন করিডোর চালু, লাগবে না ট্রানজিট ফি গণমাধ্যমের পক্ষপাতহীন কর্মকাণ্ডে সংসদ মহিমান্বিত হবে: স্পিকার বেইজিংয়ে গার্ড অব অনার ও লাল গালিচা সংবর্ধনা পেলেন প্রধানমন্ত্রী দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ১৯ কোটির বেশি: অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপের মাঝেই টাইব্রেকারে আসছে বড় পরিবর্তন! ‘রাজনীতিতে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছেন জুবাইদা রহমান’

গুম-অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র চায় জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৯ মে ২০২৬, ০৬:৫৮ পি.এম.
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণ এখন গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ দেখতে চায়, যেখানে জানমালের ভয় থাকবে না এবং অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের আশঙ্কাও থাকবে না।

শনিবার ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, এমন একটি প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তাহলে দায়িত্ব পালনের পথ আরও সহজ ও সুগম হয়ে যায়।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। প্রতিবছর অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ হয়ে উঠুক নিজেদেরকে জনগণের বিশ্বস্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পূরণের একটি মুহূর্ত।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, সদস্য এবং অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত না হলে সেই লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এজন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি প্রয়োজনে ও সংকটে বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, একটি উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সক্ষম।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ পুলিশের সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের গৌরবোজ্জ্বল অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।

গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

ভিওডি বাংলা/সবুজ/এফএ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
গণমাধ্যমের পক্ষপাতহীন কর্মকাণ্ডে সংসদ মহিমান্বিত হবে: স্পিকার
গণমাধ্যমের পক্ষপাতহীন কর্মকাণ্ডে সংসদ মহিমান্বিত হবে: স্পিকার
বেইজিংয়ে গার্ড অব অনার ও লাল গালিচা সংবর্ধনা পেলেন প্রধানমন্ত্রী
বেইজিংয়ে গার্ড অব অনার ও লাল গালিচা সংবর্ধনা পেলেন প্রধানমন্ত্রী
রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৩৭ কোটি টাকার চুক্তি
রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ১৩৭ কোটি টাকার চুক্তি