টেলিগ্রাম গ্রুপে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া নারী শিক্ষার্থীদের ছবি কেনাবেচা, গ্রেপ্তার ৫

টেলিগ্রামভিত্তিক গোপন গ্রুপ খুলে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া নারী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত একটি চক্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টার্গেট নির্ধারণ, ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন কনটেন্ট বাণিজ্যের মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।এমন অভিযোগে চক্রটির ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক ইন্তেখাব চৌধূরী।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মেরাজুর রহমান আরমান, বিল্লাল হোসেন অন্তর, রবি আলম মমিন, আল আমিন ইসলাম ও হাসিব।
র্যাব জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে টেলিগ্রাম অ্যাপকে কেন্দ্র করে সাইবার ব্ল্যাকমেইল ও গোপন ছবি ফাঁসের নানা অভিযোগ সামনে আসে। পরে অনুসন্ধানে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নারী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করত।
চক্রটি মূলত টেলিগ্রামের বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেল ব্যবহার করে অর্থের বিনিময়ে এসব ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত। অনেক ক্ষেত্রে ফেসবুক আইডি বা ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাক করে তথ্য নেওয়া হতো। আবার ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকেও ছবি-ভিডিও সংগ্রহ করা হতো বলে জানিয়েছে র্যাব।
এছাড়া ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে গোপন ছবি বা ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়েও তারা অর্থ আদায় করত।
র্যাব জানায়, চক্রটিকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পরে র্যাব-৮ ভোলা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
ভিওডি বাংলা/এম আই/আ







