বন্ধ হওয়া কারখানা ছয় মাসের মধ্যে চালু

বন্ধ হয়ে থাকা শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব কারখানা পুনরায় চালু করা হবে।
গতকাল ঢাকার বেইলি রোডে শ্রমমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের অফিস কক্ষে তৈরি পোশাক (আরএমজি) ও নন-আরএমজি খাতে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে করণীয় ঠিক করতে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় মাহদী আমিন বলেন, “আমরা সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বন্ধ কারখানাগুলো চালু করে ফেলব।” তিনি আরও জানান, শ্রমিকদের সমস্যার দ্রুত সমাধানে কঠোর নজরদারি চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “দেশের সব শিল্প কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস অবশ্যই ঈদের ছুটির আগেই পরিশোধ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন শ্রমিকদের প্রাপ্য পাওনা নিয়ে কোনো জটিলতা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
সভায় বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামে বর্তমানে ২ হাজার ১২৭টি কারখানা চালু রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৬৪টি কারখানা, অর্থাৎ ৯২.৩৪ শতাংশ, ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৫৩৫টি কারখানা বা ৭২.১৭ শতাংশ কারখানা ইতোমধ্যে ঈদের বোনাস দিয়েছে।
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, দেশের মোট ৮৩৪টি কারখানার মধ্যে ৫১২টি ফেব্রুয়ারির বেতন দিয়েছে এবং ৬০৪টি কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে।
তিনি আরও বলেন, “যেহেতু অধিকাংশ কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করেছে আমরা আশা করি কোনো ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হবে না।”
ভিওডি বাংলা/এমএস







