নবাবগঞ্জে হঠাৎ বৃষ্টিতে ঈটভাটায় ব্যাপক ক্ষতি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে হঠাৎ বৃষ্টিতে ১১টি ইটভাটার প্রায় ৬০ লাখ তৈরি করে রাখা কাঁচা ইট বিনষ্ট হয়েছে। এতে করে ইটভাটা মালিকরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে ওই ইটগুলো নষ্ট হয়। আমের মুকুল ও উঠতি আলুরও ক্ষতি হয়েছে।
নবাবগঞ্জ উপজেলার ৭ নং দাউদপুর ইউনিয়নের দোমাইল এলাকায় ইটভাটা মালিক মোঃ আহসান হাবিবের ইটভাটায় তৈরি করে রাখা প্রায় ৬০ লাখ কাঁচা ইট হঠাৎ বৃষ্টিতে গলে যায়।
তিনি বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই এ ধরনের বৃষ্টিপাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে পোড়া ইট বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১১ হাজার টাকায়।
শুক্রবার বিভিন্ন ঈট ভাটায় গিয়ে দেখা যায়, নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১১টি ইটভাটায় বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
হঠাৎ বৃষ্টিতে প্রতিটি ইটভাটায় দুই থেকে আড়াই লাখ কাঁচা ইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গলে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। এসব কয়েকদিনের মধ্যে ইটভাটায় পোড়ানোর কথা ছিল।
উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়ন এলাকার ইটভাটা মালিক সালাহ উদ্দিন মাছুম জানান, হঠাৎ বৃষ্টিতে প্রতিটি ইটভাটায় কমবেশি ক্ষতি হয়েছে।
ইটভাটা মালিকের একটি সূত্র জানায়, এ বৃষ্টিতে উপজেলার ১১টি জিগজাক ইটভাটার ৫০ লক্ষ কাঁচা ইট গলে গেছে।
ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ইটভাটা মালিকরা। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। রোদে শুকাতে দেওয়া কাঁচা ইটগুলো বৃষ্টির পানিতে গলে গেছে। এ ছাড়া পোড়ানোর আগে সারিবদ্ধ করে রাখা শুকনো ইটগুলোও নষ্ট হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে ঈটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি সালাহ উদ্দিন মাছুম জানান, এমন করে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হবে, কেউই বুঝে উঠতে পারিনি। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে লাখ লাখ কাঁচা ইট ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। ইটভাটায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পলিথিন ছিল না। তবে কিছু কাঁচা ইট পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হলেও নিচে পানি জমে তা নষ্ট হয়ে গেছে। ১১টি ভাটার কাঁচা ইট বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে আনুমানিক প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
ইটভাটা মালিকদের একটি সূত্র জানায়, বৃষ্টির কারণে উপজেলায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রায় ১১টি ইটভাটার মালিকরা। এ কারণে বাজারে ইটের দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।
ভিওডি বাংলা/অলিউর রহমান মিরাজ/আ







