• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী মাউশির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন প্রফেসর সোহেল হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান মামলার জট কমাতে ৮৭১ আদালত ও ২৩২ বিচারক পদ: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন শুক্রবার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত করা হবে গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি সম্ভব নয় : স্পিকার

ইরানকে উদ্ধারে কি এগিয়ে আসবে চীন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৭ এ.এম.
চীন ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—চীন কি তেহরানকে রক্ষা করবে? যদিও সরাসরি সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা কম, তবে চীনের সমর্থন বাস্তব এবং বহুস্তরীয়ভাবে কার্যকর হতে পারে।

বর্তমান বিশ্বে শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর প্রতিযোগিতা একশ শতাব্দীর কৌশল অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। চীনের ইরানকে সমর্থন সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের মতো দৃশ্যমান নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদে আরও প্রভাবশালী হতে পারে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে চীন তার ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে তেহরানকে কূটনৈতিক সমর্থন দিয়েছে। চীন স্পষ্টভাবে বলেছে, তারা ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সমর্থন করে এবং শক্তি প্রয়োগের বিরোধী। এই কৌশলের মাধ্যমে চীন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইরানের বৈধতা নিশ্চিত করছে এবং পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধে পাল্টা অবস্থান নিয়েছে।

২০২১ সালে ইরান সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দেয় এবং পরে ব্রিকস জোটেও অন্তর্ভুক্ত হয়। যদিও এগুলো সামরিক জোট নয়, তবুও কৌশলগত সমন্বয়ের একটি স্থায়ী কাঠামো গড়ে তুলেছে। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো আগ্রাসন এখন যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী শক্তিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।

চীন সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও সহযোগিতা বাড়িয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়া, চীন ও ইরান হরমুজ প্রণালিতে যৌথ নৌ মহড়া করেছে। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়েছে। এমনকি উন্নত যুদ্ধবিমান সরবরাহের সম্ভাবনার কথাও শোনা গেছে, যদিও তা নিশ্চিত নয়।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন এখনো ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল চীনে যায়, যা তেহরানের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

চীন সরাসরি যুদ্ধ এড়াচ্ছে কারণ তাদের প্রধান কৌশলগত লক্ষ্য হলো জাতীয় স্বার্থ—বিশেষ করে তাইওয়ানকে পুনরায় একত্রিত করা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় সংঘাতে জড়াতে তারা চাইছে না। চীনের অবস্থান ইউক্রেন যুদ্ধের সময়ের কৌশলের মতো—সরাসরি যুদ্ধে না জড়ানো, কিন্তু কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা বজায় রাখা।

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
তুরস্কের স্কুলে ভয়াবহ গুলিবর্ষণ, ৯ জন নিহত
তুরস্কের স্কুলে ভয়াবহ গুলিবর্ষণ, ৯ জন নিহত
জেদ্দায় সৌদি–পাকিস্তান বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংলাপ জেদ্দায় সৌদি–পাকিস্তান বৈঠক
ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু
ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু