৪১০ কেজি পাতা মাছ জব্দ, আটক ২২ জেলে

সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়া এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করায় ২২ জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ। এসময় দুটি ট্রলার, মাছ ধরার সরঞ্জামসহ ৪১০ কেজি শাপলা পাতা মাছ জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বন বিভাগের এক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা পটুয়াখালী ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান, জেলেরা অনুমতি ছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছিলেন। এ সময় দুটি ট্রলারসহ মাছ ধরার সরঞ্জাম এবং ৪১০ কেজি শাপলা পাতা মাছ উদ্ধার করা হয়।
আটক জেলেরা হলেন— পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার আলীপুর গ্রামের জামাল হওলাদার (৩২), মো. কালু (৪৮), করহাদ (৩০), মো. ইয়াছিন খান (৪০), দুলাল গাজী (৩০), মো. হানিফ হাওলাদার (৪০), রাজীব হাওলাদার, ইব্রাহিম; মহিপুর গ্রামের মো. ছোমেদ (৪৫); চাপলি গ্রামের মো. রাসেল (৩০); তালতলী থানার তালতলী গ্রামের ইসমাইল; পটুয়াখালী সদরের দক্ষিণ বড়বিঘা গ্রামের মো. শরিফ মিয়া এবং বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার কোদালীয়া গ্রামের মো. শফিকুল খান (২০) সহ মোট ২২ জন।
আটক জেলেদের অভিযোগ, আমরা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরছিলাম। কুয়াশার কারণে পথ ভুলে মান্দারবাড়িয়া এলাকার কাছাকাছি আসলে বন বিভাগ আটক করে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান বলেন, জেলেরা অনুমতি ছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছিলেন। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জব্দকৃত ট্রলার ও সরঞ্জাম বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে শাপলা পাতা মাছ নদীর চরে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে নির্দিষ্ট সময় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও কাঁকড়া আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকে। আইন অমান্য করে বনসম্পদ আহরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভিওডি বাংলা/আবদুল্লাহ আল মামুন/আ







