• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ আগের গতিতেই চলবে: চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৬ পি.এম.
প্রেস ব্রিফিংয়ে ট্রাইব্যুনালের চলমান বিচার কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে অব্যাহত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন চিফ প্রসিকিউটর-ছবি-ভিওডি বাংলা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম আগের মতো স্বাভাবিক গতিতেই চলবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত নির্দেশনা পাওয়া না গেলেও সংশ্লিষ্ট মহল থেকে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে যে আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। বিশেষ করে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “বিচার প্রক্রিয়া থেমে থাকার কোনো সুযোগ নেই। ন্যায়বিচারের স্বার্থেই চলমান মামলাগুলোর কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে। আমরা দায়িত্বে থাকাকালীন সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারকাজ এগিয়ে নেব।”

তিনি আরও বলেন, দায়িত্বে কে থাকছেন বা থাকছেন না-সেটি মুখ্য বিষয় নয়; মূল বিষয় হলো বিচার প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। বিচার যেন প্রভাবমুক্ত ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যেই প্রসিকিউশন টিম কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না এলেও বিচারকাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক সংকেত পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চলমান মামলাগুলোর শুনানি ও অন্যান্য প্রক্রিয়া পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং বিচারপ্রার্থীরা ন্যায়বিচার পাবেন।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
স্বাভাবিক গতিতে চলবে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার : আইনমন্ত্রী
স্বাভাবিক গতিতে চলবে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার : আইনমন্ত্রী
গণভোটের ফল স্থগিতের রিট মোকাবিলা করবেন শিশির মনির
গণভোটের ফল স্থগিতের রিট মোকাবিলা করবেন শিশির মনির
গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট, বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন
গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট, বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন