৩০ বছর পর ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির জয়

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে দীর্ঘ ৩০ বছর পর জয় পেয়েছে বিএনপি। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে এ আসনে দলটি বিজয়ী হয়েছিল। এরপর অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীরা জামানত হারান। অবশেষে এবারের নির্বাচনে জয় তুলে নিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম বাবুল।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বাবুলের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও মানবিক আচরণই তাঁকে বিজয় এনে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ আসন থেকে কোনো মন্ত্রী না হওয়ায় এলাকাবাসী এখন তাঁকে মন্ত্রিপরিষদে দেখতে চান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ দাবি উঠেছে।
অতীত নির্বাচনের চিত্র
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট সরোয়ারজান মিয়া ১৯ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তবে একই বছরের ১২ জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রউফ খান নবাব মাত্র ২ হাজার ১৪৯ ভোট পেয়ে জামানত হারান।
২০০১ সালে বিএনপি জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আওলাদ আলী পান ১ হাজার ৫০৩ ভোট।
২০০৮ সালে বিএনপির শাহ আলম রেজা পান ৩ হাজার ৯৩৭ ভোট।
২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি।
২০১৮ সালে বিএনপির খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম প্রায় সাড়ে ১২ হাজার ভোট পেয়েও জামানত হারান।
দীর্ঘ এই ব্যর্থতার পর এবারের নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন শহীদুল ইসলাম বাবুল।
এবারের ফলাফল
শহীদুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা সরোয়ার হোসেন (জামায়াত) পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট।
নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কোনাগ্রামের বাসিন্দা বাবুল ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন। পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হন। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিজয়ের পর তিনি বলেন, ‘আমি কৃষক পরিবারের সন্তান। শূন্য হাতে আপনাদের কাছে এসেছিলাম। আপনারা আমাকে উজাড় করে ভালোবাসা দিয়েছেন। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আপনাদের পাশে থাকব।’
ভিওডি তবাংলা/ আ







