ঢাকা-১১ আসন
এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ ইসলাম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) আবেদন করেছেন একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই আবেদনটি দায়ের করেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ ইসলামের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা জানান, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অথবা ভোট গ্রহণের আগেই এই আবেদনের শুনানি চাওয়া হবে।
এর আগে কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নাহিদ ইসলামের করা রিট আবেদন ৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট সরাসরি খারিজ করে দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা গণমাধ্যমকে জানান, লিভ টু আপিলে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা এবং তাকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে। রোববার চেম্বার আদালতে শুনানির চেষ্টা করা হবে, বিকল্প হিসেবে নির্বাচনের আগেই শুনানি চাওয়া হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভোটের আর মাত্র চার দিন বাকি। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এম এ কাইয়ুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ২২ জানুয়ারি তাকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে কাইয়ুম ভানুয়াতু নামক একটি দেশের নাগরিক, অর্থাৎ তিনি দ্বৈত নাগরিক—এমন অভিযোগ তুলে ওই দুই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন নাহিদ ইসলাম। রিটে অভিযোগ করা হয়, কাইয়ুম দ্বৈত নাগরিক হওয়ার তথ্য হলফনামায় গোপন করেছেন। শুনানি শেষে ৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধেই লিভ টু আপিল করেছেন নাহিদ ইসলাম।
ভিওডি বাংলা/ এনআর/ আ







