নারীবিদ্বেষী ও ইতিহাসবিকৃতির জবাব ব্যালটে দিবে জনগণ: ইশরাক

ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী একটি দল নারীবিদ্বেষী, সেনাবাহিনী অবমাননা এবং ইতিহাস বিকৃতি করে বক্তব্য দিচ্ছে -এর জবাব সাধারণ জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে দিবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী সুত্রাপুরের ধোলাইখালে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন। ধোলাইখালের কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি মোটর পার্টস ব্যবসায়ী সমিতি, বিভিন্ন অটো পার্টস মার্কেট ও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চান।
ইশরাক হোসেন বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নারীবিদ্বেষী পোস্ট দেওয়ার পর দাবি করেছেন, তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। তার মতে, এটি ওই দলের ধারাবাহিক নারীবিদ্বেষী বক্তব্যেরই অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, কিছুদিন আগে আল জাজিরায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও নারীদের প্রাণীর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে তারা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।
ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের এক প্রার্থী ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের সময় দায়িত্বরত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান এবং অশালীন ভাষায় তাদের অপমান করেন। তার অভিযোগ, ওই প্রার্থী পুরো সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ করে অবমাননাকর বক্তব্য দেন, এমনকি ‘জিহ্বা দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করানো’র মতো মন্তব্যও করেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, এ ধরনের বক্তব্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে জনগণের উদ্দেশে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী দলের আসল চেহারা দিন দিন উন্মোচিত হয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রধান যে বক্তব্য দিয়েছেন তিনি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি এবং ভেবেছিলেন এটি এআই দিয়ে তৈরি কোনো ভিডিও হতে পারে। তার ভাষ্য, অতীতেও ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা হয়েছে এবং এখন আবার একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ইতোপূর্বে আমরা দেখেছি যে আওয়ামী লীগের সময় তারা ইতিহাসকে বিকৃত করেছে এবং নানা ধরনের উদ্ভট তথ্য উপস্থাপন করেছে। এখন আমরা একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি এবং এটা এখন জাতির সামনে স্পষ্ট যে এই দুইটা দল হলো মুদ্রার এই পিঠ আর ওই পিঠ একটা পাকিস্তানমুখী আরেকটা ভারতমুখী। তারা ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, যার উদ্ধৃতি দিয়ে ওই বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, সেই কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ নিজেও বলেছেন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান । জনগণ এ ধরনের বিতর্ক কখনোই মেনে নেবে না এবং আগামী ১২ তারিখেই ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি'র দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টু ও সুত্রাপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।
ভিওডি বাংলা/জা







