• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

টিউলিপ পারিবারিক কারণে দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন- রিজভী

   ১৭ জানুয়ারী ২০২৫, ০৩:১৫ পি.এম.

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু আওয়ামী লীগ করেনি, সবার অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। অন্যান্য দলের থেকে মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ কম ছিল।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কেআইবি’র মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বললেও তারাই মূলত মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে বলে মন্তব্য করেন রিজভী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ছিল দুর্নীতির মডেল। এমন কোনো খাত নেই, যেখানে তার দুর্নীতি নেই।

শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টিউলিপ দুর্নীতিমুক্ত দেশে বেড়ে উঠলেও পারিবারিক জিনের কারণে দুর্নীতিতে জড়িয়েছে সে-ও।

তিনি বলেন, এ সময় ভয়ংকর দুর্নীতিবাজ শেখ হাসিনাকে ভারতে কিসের ভিত্তিতে আশ্রয় দিয়েছে। শেখ হাসিনার ভেতরে রাজনৈতিক কোনো আদর্শই ছিল না, ছিল শুধু উন্নয়নের নাম। আর এ উন্নয়নের নামের মধ্য দিয়েই বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন।

রিজভী বলেন,'রুপপুর পারমানবিক প্রকল্পে রাশিয়ার সাথে চুক্তি করেছে ৫০০ কোটি ডলার শেখ হাসিনা তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং তার ভাগ্নি সে আবার ইংল্যান্ডের এমপি টিউলিপ ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংক থেকে সেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।এটা একদম সুস্পষ্ট গণমাধ্যমগুলোতে এসেছে।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধাদের সবচেয়ে বেশি অপমানিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবদান তুলনামূলক কম। দলটির ভেতর রাজনৈতিক উন্নয়নের কথা নেই। তারা মনে করতো তাদের রাজনীতি বাইরে গেলেই সবাই অপরাধী।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দুর্নীতির বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। তারা উন্নয়নের নামে টাকা পাচার করেছে। এ সময় ভারত কি কারণে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন,'আজকে শেখ হাসিনা কি স্ট্যাটাসে ভারতে আছে?শেখ হাসিনার দুইটা পাসপোর্ট দুটাই বাতিল হয়েছে। তারপরও কি স্টাটাসে ভারত তাকে রাখে কিভাবে? এত বড় একজন দুর্নীতিবাজ ছাত্র জনতা হত্যাকারী তাকে ভারত রাখে কিভাবে? 

রিজভী বলেন, 'আওয়ামী লীগেরই একজন ঘনিষ্ঠ লোক বলেছেন শেখ মুজিবুর রহমান একজন বড় নেতা ছিলেন কিন্তু তার পরিবারের প্রতি তিনি দুর্বল ছিলেন।তিনি তার ছেলে ভাগ্নেদের কন্ট্রোল করতে পারে নাই।জাহানারা ইমাম শেখ হাসিনার কাছের লোক ছিলেন তিনি এসব বলে গেছেন।দেশের কিসের উন্নয়ন,দেশ প্রেম সবকিছুতে চাঁদাবাজি করে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের প্রতিষ্ঠিত করে গেছে। তারা উন্নয়ন উন্নয়ন করত উন্নয়নের মধ্য দিয়েই তো  টাকা পাচার করা যায়। উন্নয়ন কি তার বাবার টাকা দিয়ে করেছেন? উন্নয়নের নামে বিদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে এসে পাচার করেছেন। লুটপাট করেছেন।

এটিএম খালেদ হত্যার বিচার দাবি করে তিনি আরো বলেন,'এতদিন হয়ে গেল তাদের বিচার এখন হয়নি কেন? এ দ্বায় আপনাদের কৃষিবিদদেরও আছে। আমাদের সবার আছে। এরকম একজন প্রখ্যাত ছাত্রনেতা মুক্তিযোদ্ধা তার হত্যার বিচার হলো না এটা অত্যন্ত কষ্টের বিষয়।

কৃষিবিদ ডক্টর রাশেদুল হাসান হারুনের ও ও ডক্টর জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন,গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামীমুর রহমান শামিম,কৃষক দলের যুগ্ম সম্পাদক কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন বিপ্লব সহ নেতৃবৃন্দ।

ভিওডি বাংলা/ এম

 


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আসিফ মাহমুদের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকের সাক্ষাৎ
আসিফ মাহমুদের সঙ্গে মার্কিন কূটনীতিকের সাক্ষাৎ
বিএনপিতে যোগ দিলেন মেঘনা আলম
বিএনপিতে যোগ দিলেন মেঘনা আলম
শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে পারেন ঈদের আগেই
শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে পারেন ঈদের আগেই