চট্টগ্রামকে উড়িয়ে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী

বিপিএলের দ্বাদশ আসরের শিরোপা জিতেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তোলে দলটি।
১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রাম রয়্যালস ১৭.৫ ওভারে ১১১ রানেই অলআউট হয়ে যায়। বল হাতে রাজশাহীর পক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন বিনুরা ফার্নান্দো। শুরুর তিন ওভারের মধ্যেই তিনি মোহাম্মদ নাঈম ও মাহমুদুল হাসান জয়ের উইকেট তুলে নেন। মোট ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। এছাড়া জেমস নিশাম নেন দুটি উইকেট।
ব্যাট হাতে পুরোপুরি ব্যর্থ ছিল চট্টগ্রাম। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য তাড়ায় কোনো ছন্দই খুঁজে পায়নি তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ওপেনার মির্জা বেগ। ৩৬ বলের ইনিংসটি খেলেন তিনি। এছাড়া আসিফ আলী করেন ২১ রান।

এর আগে রাজশাহীর হয়ে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়েন ওপেনার তানজিদ হাসান। বিপিএলের এক আসরে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে টানা তিন সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন তিনি। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তানজিদের হাতে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে রাজশাহী। পুরো ইনিংসজুড়েই নিয়ন্ত্রণে রেখে ব্যাট করেন তানজিদ। ৬২ বলে ঝড়ো সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৮৩ রানের উদ্বোধনী জুটিতে তাকে সঙ্গ দেন সাহেবজাদা ফারহান, যিনি ৩০ বলে করেন ৩০ রান। মাঝের ওভারগুলোতে রানরেট সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কেন উইলিয়ামসন। ১৫ বলে ২৪ রান করে ইনিংসের গতি বাড়ান তিনি।
ইনিংসের শেষভাগে কিছুটা ছন্দ হারায় রাজশাহী। শেষ দিকের এক ওভারে তানজিদ আউট হলে বড় সংগ্রহের পথে খানিকটা ধাক্কা খায় দলটি। শত রানে আউট হওয়া তানজিদের ৬২ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা।
চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুজনই দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়রস: ২০ ওভারে ১৭৪/৪ (তানজিদ ১০০, ফারহান ৩০, উইলিয়ামসন ২৪; মুকিদুল ২/২০, শরীফুল ২/৩৩)।
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ১৭.৫ ওভারে ১১১ (মির্জা ৩৯, আসিফ ২১, নেওয়াজ ১১; বিনুরা ৪/৯, মুরাদ ৩/১৫, নিশাম ২/২৪)।
ফল: রাজশাহী ওয়ারিয়রস ৬৩ রানে জয়ী।
ভিওডি বাংলা/ এসআর/ আরিফ







