• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিল ইরান এই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নির্মূলে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে: ডিএমপি কমিশনার পুলিশে বড় রদবদল, একসঙ্গে ১২ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন সীমান্তে অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী নাগরিক সেবা নিশ্চিতে অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক সব জেলা-উপজেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা চালু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রবাসীদের আকামা নিয়ে হঠাৎ কঠোর কাতার প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহ্যে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ঘুরে দেখলেন সোনামসজিদ

আমি প্রেসিডেন্ট, আমাকে অপহরণ করা হয়েছে: মাদুরো

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৫ এ.এম.
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ছবি-সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো নিউ ইয়র্ক সিটির আদালত কক্ষের দরজায় প্রবেশ করার কিছুক্ষণ আগে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর পায়ে বাঁধা শিকলের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এরপরই তিনি সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো সাংবাদিক এবং জনসাধারণের উদ্দেশে উপস্থিত হয়ে বলেন, তাকে 'অপহরণ' করা হয়েছে।

আদালত কক্ষে প্রবেশের কয়েক মিনিট পরই, বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টেইন মাদুরোকে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে বলেন যাতে বিচার শুরু করতে পারেন। এ সময় তিনি বলেন, “আমি, স্যার, নিকোলাস মাদুরো। আমি ভেনেজুয়েলা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট এবং আমি তেসরা জানুয়ারি থেকে অপহৃত হয়ে এখানে আছি।” 

একজন দোভাষী আদালতের জন্য অনুবাদ করার আগে বেশ শান্তভাবেই আদালতে স্প্যানিশ ভাষায় এ কথা বলেন তিনি। মাদুরো বলেন, “ভেনেজুয়েলার কারাকাসে আমার বাড়ি থেকে আমাকে বন্দি করা হয়েছিল।” 

৯২ বছর বয়সী বিচারক দ্রুত মাদুরোকে বলেন, “এসব বিষয়ে আলোচনা করার জন্য একটি সময় এবং একটি জায়গা থাকবে।”

সোমবার বিকালে ৪০ মিনিটের নাটকীয় এই বিচার চলাকালীন মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

নিকোলাস মাদুরো বলেন, “আমি নির্দোষ। আমি একজন ভদ্র মানুষ।” 

তার স্ত্রী ফ্লোরেসও দাবি করেন, তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ।

নীল ও কমলা রঙের জেল শার্ট এবং খাকি প্যান্ট পরা মাদুরো ও তার স্ত্রী দুজনই শুনানির সময় স্প্যানিশ অনুবাদ শোনার জন্য হেডফোন পরেছিলেন। তাদের মাঝখানে একজন আইনজীবী বসেছিলেন।

মাদুরো একটি হলুদ লিগ্যাল প্যাডে সূক্ষ্মভাবে নোট লিখেছিলেন যেটি শুনানির পরে নিজের সাথে যাতে রাখতে পারেন তা বিচারককে নিশ্চিত করতে বলেছিলেন।

বিচার চলাকালীন এই শান্ত এবং অভিব্যক্তিহীন আচরণ বজায় রেখেছিলেন মাদুরো। এমনকি শেষের দিকেও, যখন জনসমাগমস্থল থেকে একজন ব্যক্তি হঠাৎ চিৎকার করে বলেন, মাদুরোকে তার অপরাধের জন্য ‘মাশুল’ দিতে হবে তখনও শান্তই দেখা গেছে তাকে।

স্প্যানিশ ভাষায় দর্শকদের সামনে থাকা লোকটির দিকে মাদুরো এ সময় চিৎকার করে বলেন, ‘আমি একজন প্রেসিডেন্ট এবং যুদ্ধবন্দি।’

মাদুরো ও তার স্ত্রী শুনানি চলাকালীন সময়ে জামিনের আবেদন করেননি। তবে পরবর্তী সময়ে তা করতে পারেন, যেটির অর্থ এখন তারা ফেডারেল হেফাজতে থাকবেন।

আগামী ১৭ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছে আদালত।

শনিবার ভেনেজুয়েলায় নিজেদের কম্পাউন্ড থেকে মার্কিন বাহিনী তাদের গ্রেফতারের পর ৬৩ বছর বয়সী এই ব্যক্তি এবং তার স্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের একটি কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। রাতভর এক আকস্মিক অভিযানের অংশ হিসেবে সেদিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি

ভিওডি বাংলা/এমএম

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক কার্যকর, জানালো হোয়াইট হাউজ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক কার্যকর, জানালো হোয়াইট হাউজ
প্রবাসীদের আকামা নিয়ে হঠাৎ কঠোর কাতার
প্রবাসীদের আকামা নিয়ে হঠাৎ কঠোর কাতার
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার মাঝেও অনড় ইরান, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ছে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার মাঝেও অনড় ইরান, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ছে