মুখ থুবড়ে পড়েছে শস্য গুদাম ঋণ প্রকল্প

নীলফামারী প্রতিনিধি
মুখ থুবড়ে পড়েছে নীলফামারীর ডোমায় ১৯৭৮ সালে চালু হওয়া শস্য গুদাম ঋণ প্রকল্পটি। গুদামে শস্য রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ দেয়ার জন্য এই প্রকল্পটি চালু করা হয়।
তবে প্রচার প্রচারণার অভাবে স্থানীয় কৃষকরা অনেকেই জানেন না এই প্রকল্পের কথা। কৃষকদের আগ্রহ না থাকায় প্রকল্পের ৬টি গুদামের মধ্যে ৩টি ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও এই প্রকল্পের মাধ্যমে সহজে ঋণ পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন কৃষক।
শস্য সংরক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে নীলফামারীর ডোমায় ১৯৭৮ সালে চালু করা হয় ‘শস্য গুদাম ঋণ প্রকল্প’। কৃষক বান্ধব এই প্রকল্পের আওতায় শস্য জমা করার জন্য নীলফামারী জেলায় ছয়টি গুদাম তৈরি করা হয়। ঋণ পাওয়ার পাশাপাশি গুদামে মজুদ করা শস্য পরবর্তীতে বিক্রি করে অনেক কৃষক লাভের মুখও দেখেছেন।
তবে প্রচারণার অভাবে প্রকল্পটি এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও, এ বিষয়ে জানেন না অধিকাংশ কৃষক। ফলে ছয়টি গুদামের মধ্যে তিনটি বন্ধ হয়ে গেছে। প্রচার প্রচারণার অভাবে যে প্রকল্পটি ব্যর্থ হচ্ছে তা স্বীকার করেছেন গুদাম রক্ষক আব্দুল কাইউম ।
এদিকে, সোনালী ব্যাংকের নীলফামারী ডোমার শাখার ম্যানেজার বখতিয়ার রানা হাসমী জানান কৃষকরা এই প্রকল্পের আওতায় ব্যাংকিং সংক্রান্ত যে কোন সেবার জন্য এলে তা তারা গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন তারা।
চলতি বছর নীলফামারী ডোমারে শস্য গুদাম ঋণ দেওয়ার জন্য ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে বলেও সোনালী ব্যাংক কতৃপক্ষ জানিয়েছেন।







