• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নিল ইরান এই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নির্মূলে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে: ডিএমপি কমিশনার পুলিশে বড় রদবদল, একসঙ্গে ১২ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন সীমান্তে অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী নাগরিক সেবা নিশ্চিতে অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক সব জেলা-উপজেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা চালু হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রবাসীদের আকামা নিয়ে হঠাৎ কঠোর কাতার প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহ্যে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ঘুরে দেখলেন সোনামসজিদ

গাজায় তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতির বিরোধিতায় ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৫৭ পি.এম.
তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী ও ধ্বংসাবশেষ গাজা। সংগৃহীত ছবি

ফিলিস্তিনে চিরতরে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মার্কিন সমর্থিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে এই চুক্তির আওতায় গাজায় তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার (২৭ অক্টোবর) দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজিজারতোর সঙ্গে বৈঠককালে সার বলেন, “এরদোয়ানের নেতৃত্বে তুরস্ক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্পষ্টভাবে বৈরী অবস্থান নিয়েছে। তাই গাজা উপত্যকায় তাদের সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি আমাদের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। আমরা এই প্রস্তাবে রাজি নই এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ আমাদের মিত্রদের তা জানিয়ে দিয়েছি।”

প্রায় দুই বছর ধরে চলা গাজা যুদ্ধ থামাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এতে কোন কোন দেশ অংশ নেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার বলেন, “যেসব দেশ অন্তত ইসরায়েলের প্রতি ন্যায্য আচরণ করে, কেবল তাদেরই প্রস্তাবিত বাহিনীতে সেনা পাঠানো উচিত।”

গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে একসময়কার ইসরায়েল–তুরস্ক সম্পর্ক এখন বেশ শীতল। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একাধিকবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, গাজার নিরাপত্তা বাহিনীতে নিজস্ব সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নাকচ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, কাতার, তুরস্ক এবং আজারবাইজানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে বলেছেন, গাজায় তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতির তিনি সম্পূর্ণ বিরোধী। তাঁর ভাষায়, “গাজায় কোন বিদেশি বাহিনী মোতায়েন করা হবে, তা ইসরায়েল নির্ধারণ করবে।”

শুক্রবার ইসরায়েল সফরে এসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও একই সুরে বলেন, “ইসরায়েল যে দেশগুলোর সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, কেবল তাদেরই প্রস্তাবিত বাহিনীতে যোগ দেওয়া উচিত।” তবে তুরস্কের অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ভিওডি বাংলা/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক কার্যকর, জানালো হোয়াইট হাউজ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক কার্যকর, জানালো হোয়াইট হাউজ
প্রবাসীদের আকামা নিয়ে হঠাৎ কঠোর কাতার
প্রবাসীদের আকামা নিয়ে হঠাৎ কঠোর কাতার
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার মাঝেও অনড় ইরান, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ছে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার মাঝেও অনড় ইরান, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ছে