• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

মগবাজারে গড়ে তোলা হচ্ছে ‘আইয়ুব বাচ্চু মিউজিয়াম

বিনোদন ডেস্ক    ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০০ পি.এম.
কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু-ছবি সংগৃহীত

“এই রূপালি গিটার ফেলে, একদিন চলে যাবো দূরে বহুদূরে…”- গানটির সুর আজও লাখো ভক্তকে কাঁদায়। গিটার হাতে মঞ্চ মাতানো কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই, কিন্তু তার সঙ্গীত ও স্মৃতি আজও বেঁচে আছে ভক্তদের হৃদয়ে। 

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ছিল এই রক লিজেন্ডের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী।

এই কিংবদন্তির স্মৃতিকে অমর করে রাখতে রাজধানীর মগবাজারে গড়ে তোলা হচ্ছে ‘আইয়ুব বাচ্চু মিউজিয়াম অ্যান্ড কালচারাল হাব’। ১০ কাঠা জায়গাজুড়ে গড়ে উঠবে এই মিউজিয়াম, যেখানে সংরক্ষিত থাকবে আইয়ুব বাচ্চুর জীবন, সঙ্গীত ও শিল্পভুবনের অমূল্য স্মৃতি।

আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রকল্পটির কাজ এগিয়ে চলছে। ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও শিল্পীর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ সফল করতে সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন।

ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি ও শিল্পীর সহযাত্রী আবদুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, “মিউজিয়ামে শুধু গিটার নয়, থাকবে তার ব্যবহৃত টি-শার্ট, হ্যাট, ক্যাপ, রোদচশমা। এবি কিচেনের আদলে একটি রেকর্ডিং স্টুডিওও নির্মিত হবে। দর্শনার্থীরা ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে আইয়ুব বাচ্চুর কনসার্টের অভিজ্ঞতাও নিতে পারবেন।”

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মিউজিয়ামে থাকবে একটি মিউজিক্যাল ক্যাফে, মিলনায়তন এবং নতুন সংগীতশিল্পীদের জন্য উন্মুক্ত স্টুডিও। তরুণ প্রজন্ম এখানে আইয়ুব বাচ্চুর জীবন ও সংগীতধারার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারবে।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, মিউজিয়ামের প্রতিটি অংশে তুলে ধরা হবে আইয়ুব বাচ্চুর শিল্পযাত্রা- চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসা, ‘এলআরবি’র উত্থান, জনপ্রিয় গান ও কনসার্টের স্মরণীয় মুহূর্ত।

সংগীতবোদ্ধাদের মতে, এই মিউজিয়াম কেবল স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়- এটি হয়ে উঠবে একটি সাংস্কৃতিক প্রেরণার কেন্দ্র, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সংগীত ভালোবাসতে ও জানতে অনুপ্রাণিত করবে।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
‘রাক্ষস’ উন্মাদনায় সিনেমাপ্রেমীরা, উচ্ছ্বসিত সিয়াম
‘রাক্ষস’ উন্মাদনায় সিনেমাপ্রেমীরা, উচ্ছ্বসিত সিয়াম
বিয়ে করেছেন রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির
বিয়ে করেছেন রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির
‘যেকোনো সময় মারা যেতে পারি’: মাহিয়া মাহি
‘যেকোনো সময় মারা যেতে পারি’: মাহিয়া মাহি