এসপিএফ-এর গবেষণা
বিবিসিতে তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিয়ে ৮০% নেটিজেনের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক

বিবিসি বাংলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার ঘিরে অনলাইন জগতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি ফোরামের সর্বশেষ গবেষণায় দেখা গেছে নেটিজেনদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ, অর্থাৎ ৮০.৩২% মানুষ সাক্ষাৎকারটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই সাক্ষাৎকার রাজনীতিতে নতুন আস্থা ও আশার সঞ্চার করেছে।
স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুল সাড়া পড়ে যায়। ৮০.৩২% নেটিজেন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালেও মাত্র ৮.২৩% তা নেতিবাচকভাবে দেখেছেন এবং ১১.৪৫% ছিলেন নিরপেক্ষ।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, সাক্ষাৎকার প্রচারের পর ‘বাংলাদেশ’, ‘তারেক রহমান’, ‘জনতার নেতা’, ‘দেশের ভবিষ্যৎ’— এসব শব্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। অনলাইন আলোচনার পাশাপাশি সার্চ ইন্টারেস্ট ও মিডিয়া কাভারেজে দেখা যায় উল্লেখযোগ্য সাড়া।
মিডিয়া ইমপ্যাক্ট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাক্ষাৎকারটি নিয়ে মোট ১৯৮টি সংবাদ প্রতিবেদন এবং ৪৯৩টি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ইউটিউব, ফেসবুক, এক্স (টুইটার) ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইটে সাক্ষাৎকার বিশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে।
গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাক্ষাৎকার প্রচারের পর থেকেই গুগলে ‘Tarique Rahman’ সংক্রান্ত অনুসন্ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ৬ অক্টোবর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে।
এ প্রসঙ্গে স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি ফোরামের পরিচালক (প্রশাসন) ইঞ্জি. আসিফ হোসাইন রচি বলেন, তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার জনগণের মাঝে রাজনৈতিক নতুন আস্থার সঞ্চার করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, মানুষ কেবল আগ্রহীই নয়, বরং তার বক্তব্যে ভবিষ্যৎ রাজনীতির রূপরেখা দেখতে পাচ্ছে।
অন্যদিকে, ফোরামের পরিচালক (গণসংযোগ) মাহবুব নাহিদ বলেন, বিবিসি সাক্ষাৎকারটি ছিল এক প্রজ্ঞাবান, সংযত ও দূরদর্শী নেতার রাষ্ট্রচিন্তার প্রতিফলন। নেটিজেনদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানুষ এখনো আশার রাজনীতি খোঁজে এবং নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখতে চায়।
ভিওডি বাংলা/ এমপি







