• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
ফুটপাতের জন্য ১৫৪ গাছ কাটার উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নবনিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ জুলাই অভ্যুত্থানে সক্রিয় ছিল ইসলামী আন্দোলন: চরমোনাই পীর যাত্রাবাড়ীতে ৭০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনেই উত্থান, সেই প্রশ্নফাঁসের জেরেই ধর্মেন্দ্রর বিদায় ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী হলেন প্রহ্লাদ জোশী কে এই অভিজিৎ, কীভাবে ‘ককরোচ’ আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠলেন সাবেক এমপি বদির বোন জামাই ইয়াবাসহ আটক বধির ক্রীড়াবিদদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা চাইলেন ডিএসসিসি প্রশাসক মেধাবী শিক্ষার্থী নীরবের পাশে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

রাজশাহীতে সোনালী আঁশে কৃষকের সুদিন

  রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ:  ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৫২ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: ভিওডি বাংলা
ছবি: ভিওডি বাংলা

প্রেমতলী বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় এবার খুশি রাজশাহী অঞ্চলের পাট চাষিরা। ইতোমধ্যে রাজশাহীর হাটে-বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন পাট। গত বছরের তুলনায় এবার দাম বেশি হওয়ায় খুশি চাষিরা। বাজারে মানভেদে এখন প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায়।

শুরুতেই দাম ভালো পাওয়ায় মাঠে মাঠে পাট কাটা, জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো এবং শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষি ও শ্রমিকরা। জেলার উপজেলাগুলোর বিভিন্ন হাট-বাজারে চলছে নতুন পাট কেনাবেচার ধুম।

সরেজমিনে জানা গেছে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পাট কেটে পানিতে জাগ দেওয়ার পর পাটের সোনালী আঁশ ছড়ানোর কাজ চলছে পুরোদমে। রোদে শুকানোর পর পাট কৃষকরা বিক্রিও করছেন আড়তে নিয়ে। পাট মৌসুমের শুরুতেই কৃষক ভাল দাম পাওয়ায় সোনালী আঁশে গোদাগাড়ীর কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রাজশাহীতে পাট চাষ হয়েছে ১৭ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে। আর গত বছর চাষ হয়েছিল ১৯ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। সেই হিসেবে পাটের চাষ কমেছে ২ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমির। তবে এবার পাট চাষে অনুকূল আবহাওয়া থাকায় উৎপাদন ভালো হয়েছে।

ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, গত বছরও পাটের ভালো দাম পেয়েছেন চাষিরা। এই দাম মৌসুমের শেষের দিকে আরও বেশি ছিল। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ পাটের দাম গড়ে ২০০ টাকা বেশি। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ধারণা এবার শেষ পর্যন্ত আশানুরূপ পাটের দাম পাবেন তারা।

জেলার বাঘার দিঘাহাটে পাট বিক্রি করতে আশা মকুল হোসেন বলেন, পাটের বীজ বপনের সময়ে বৃষ্টিপাত ছিল না। ফলে অনেকের পাটের বীজ নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া অনেকেই পানির অভাবে পাটের বীজ বপন করেননি। দুই সপ্তাহ আগেও পাট জাগ দেওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল। কিন্তু বৃষ্টিপাতের ফলে খালবিলে পানি জমায় সেই চিন্তা কেটে গেছে।

বাউসা আমরপুর গ্রামের পাট চাষি আমিরুল ইসলাম বলেন, জমিতে পানি থাকায় পাট কাটা শ্রমিকদের বেশি মজুরি দিতে হচ্ছে। বর্তমান বাজারে মানভেদে প্রতি মণ পাটের দাম ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা। একই এলাকার মকসেদ আলী জানান, গত শুক্রবার দিঘাহাটে ভ্যানে করে ৬ মণ পাট ১২ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি। তবে তারমধ্যে ভ্যান খরচ ও খাজনা দিতে হয়েছে। হাটে বাজারে পাটের চাহিদা ভালো আছে। বিক্রি করতে কোনো সমস্যা নেই।

রাজশাহীর পাট ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, নওগাঁয় প্রতি মণ পাটের দাম আমাদের চেয়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেশি। কিন্তু এই এলাকার পাটের মান ভালো না হওয়ার কারণে দাম তুলনামূলক কম পাচ্ছেন চাষিরা।

অন্য পাট চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জমিতে পাট চাষ করে সব খরচ বাদে বিঘা প্রতি তাদের শুধু সোনালী আঁশ বিক্রি করেই ১২ হাজার টাকা থেকে ১৩ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। বাড়তি পাচ্ছেন পাটের খড়ি। সেগুলো বাড়িতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার ও বিক্রি করবেন।

রাজশাহী কৃষি অফিস জানায়, পাটের জমিতে কিছু পানি থাকলেও আঁশের কোনো ক্ষতি হয় না। তবে অপরিপক্ব পাট কাটলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। কৃষি অফিস জানায়, এবার পাটের চাষ কম হলেও আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। তাই উৎপাদন ভালো হয়েছে। শুরুতেই বাজারে দামও ভালো মিলছে।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ 

 

 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: ভিওডি বাংলা
হাসপাতালে হঠাৎ হাজির তথ্য প্রতিমন্ত্রী, সেবার মান বাড়াতে নির্দেশনা
ছবি সংগৃহীত
রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বরখাস্ত
ছবি সংগৃহীত
দুসপ্তাহ পর রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল শুরু