অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান নিরুৎসাহিত করতে নীতি গ্রহণ করছে সরকার

অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব নিরুৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়াতে একগুচ্ছ নতুন উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্প্ল্যাশ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের সময় পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীর পর্যাপ্ত মজুত না থাকায় বর্তমানে সংকট তৈরি হয়েছে। তবে দ্রুতই সব ধরনের পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
তিনি জানান, অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব কমাতে উপজেলা হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপন করা হবে।
গর্ভবতী মায়েদের দালালচক্রের হাত থেকে রক্ষা করা এবং হাসপাতালের বাইরে নিরাপদ স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে দ্রুত মিডওয়াইফ ও কেয়ারগিভার নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এর মাধ্যমে নবজাতকের জন্মের পরপরই শালদুধ নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
নারীদের স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের অংশ হিসেবে আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাঠপর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার শনাক্তকরণ (স্ক্রিনিং) কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
এ ছাড়া কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালুর চূড়ান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ভিওডি বাংলা/আ








মন্তব্য