শেষ মুহূর্তের গোলে সেমিফাইনালে স্পেন

শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ২-১ গোলের জয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে লা রোজারা।
লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে নাটকীয় জয় পায় স্পেন। ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মিকেল মেরিনো। মাত্র তিন মিনিট পরই দলের জয়সূচক গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে পাউ কুবারসির শট বেলজিয়ামের গোলরক্ষক সেনে লামেন্স পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হলে ফিরতি বলে দ্রুত শট নিয়ে বল জালে পাঠান মেরিনো। তার এই গোলেই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যায় বেলজিয়াম।
এর আগে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ সমতায়। শুরু থেকেই বল দখলে এগিয়ে ছিল স্পেন। তবে বেলজিয়ামের শক্ত রক্ষণ ভাঙতে তাদের অপেক্ষা করতে হয় ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
পেদ্রির পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া ফাবিয়ান রুইজ ৩০তম মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন। দানি ওলমোর শক্তিশালী শট বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে রুইজের শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়।
তবে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় বেলজিয়াম। ৪১তম মিনিটে টিমোথি কাস্তানিয়ের দুর্দান্ত ক্রস থেকে চার্লস ডি কেটেলারা হেডে গোল করে সমতায় ফেরান দলকে। চলতি বিশ্বকাপে এটিই ছিল স্পেনের প্রথম গোল হজম। এর আগে টানা ৬০০ মিনিটের বেশি সময় নিজেদের জাল অক্ষত রেখেছিল স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। নির্ধারিত সময়ের শেষ পর্যন্ত সমতা থাকলেও মেরিনোর শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত করে স্পেন।
বেলজিয়ামের জন্য বড় ধাক্কা আসে ম্যাচের ৭২তম মিনিটে। চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। মাঠ ছাড়ার সময় হতাশ কোর্তোয়াকে কাঁদতেও দেখা যায়। তার জায়গায় মাঠে নামেন সেনে লামেন্স।
বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের হয়ে নিজের ২১তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন কোর্তোয়া। তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার চোট দলটির জন্য বড় ক্ষতি হয়ে দাঁড়ায়।
শেষ পর্যন্ত কোয়ার্টার ফাইনালের জয় নিয়ে সেমিফাইনালে উঠে গেল স্পেন। আর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো বেলজিয়ামের।
ভিওডি বাংলা/আ








মন্তব্য