নিষিদ্ধ সংগঠনের পোস্টার, আসামি শতাধিক

পঞ্চগড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পোস্টার লাগানোর অভিযোগে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। ঘটনার পর সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হেলিবোর্ড বাজারসংলগ্ন এলাকায় পোস্টার লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ জুন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৩ নম্বর সদর ইউনিয়নের হেলিবোর্ড বাজারসংলগ্ন শিংপাড়া স্কেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের নামফলকের মাঝখানে, পরিত্যক্ত স্কেল লোড অফিসের গেটে এবং লোহার তৈরি ত্রিভুজাকৃতির ট্রাফিক সিগন্যালের মাঝখানে আঠা দিয়ে মোট তিনটি রঙিন পোস্টার লাগানো হয়েছে।
সংবাদ পাওয়ার পর পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে এসআই মো. আসাদুজ্জামান সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে পোস্টার লাগানোর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সেগুলো জব্দ করা হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পোস্টারগুলোতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতা ও নেত্রীদের ছবি এবং প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া পোস্টারে ‘২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’, ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’সহ বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিল।
পুলিশের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম প্রচার ও সমর্থনের উদ্দেশ্যেই এসব পোস্টার লাগানো হয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করে। মামলায় ২৩ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, "নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পোস্টার লাগানোর ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এজাহারে ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য