ইংল্যান্ডকেও কি ঘুমাতে দেবে না মেক্সিকো?

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াই মাঠে গড়ানোর আগেই উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে মেক্সিকো সিটিতে। স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে শহরে পৌঁছেই তীব্র বৈরী পরিবেশের মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড দল। হ্যারি কেইন, জুড বেলিংহ্যাম ও বুকায়ো সাকাদের লক্ষ্য করে শিস, দুয়োধ্বনি আর স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে টিম হোটেলের আশপাশ।
সম্ভাব্য বজ্রঝড়ের শঙ্কা থাকলেও ম্যাচের সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনেনি ফিফা। বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল ৬টায় মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকো।
মেক্সিকো সিটিতে নির্ধারিত টিম হোটেলে পৌঁছানোর পরই থমাস টুখেলের শিষ্যদের ঘিরে জড়ো হন শত শত মেক্সিকান সমর্থক। বাস থেকে একে একে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা নামতেই শুরু হয় বিদ্রূপাত্মক শিস, দুয়োধ্বনি এবং ‘মেক্সিকো! মেক্সিকো!’ স্লোগান।
পরিস্থিতি সামাল দিতে হোটেলের সামনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি বড় আকারের ব্যারিকেডও বসানো হয়।
তবে পুরো পরিস্থিতিতে বেশ শান্তই দেখা গেছে ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেলকে। বাস থেকে নেমে নির্বিকারভাবে হোটেলের ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। এমনকি হাসিমুখে কয়েকজন সমর্থকের দিকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছাও জানান।
মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে নিজেদের টিম হোটেলের অবস্থান গোপন রাখার চেষ্টা করেছিল ইংল্যান্ড। কারণ শেষ বত্রিশে ইকুয়েডরের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে সতর্ক ছিল তারা।
সেই ম্যাচের আগের রাতে ইকুয়েডর দলের হোটেলের বাইরে জড়ো হয়ে আতশবাজি, ড্রাম এবং গাড়ির হর্ন বাজিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত শব্দ করেন মেক্সিকান সমর্থকরা। এতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারেননি ইকুয়েডরের ফুটবলাররা।
সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি এড়াতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান গোপন রাখতে পারেনি ইংল্যান্ড। ম্যাচের আগেই ইংলিশদের টিম হোটেলের সামনে জড়ো হয়ে চাপ তৈরি করতে শুরু করেছেন স্বাগতিক সমর্থকরা।
ফলে আজতেকা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের জন্য যে আরও কঠিন ও বৈরী পরিবেশ অপেক্ষা করছে, সেটি এখনই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য