{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

বেনজীরের প্রত্যর্পণে চার বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে দুবাই পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২০ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। তবে প্রত্যর্পণের আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া নিয়ে চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ দিন আগে দুবাই পুলিশের ওই চিঠি বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বর্তমানে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখার সহযোগিতায় চিঠির জবাব প্রস্তুত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বেনজীর আহমেদের মামলার তদন্ত ও প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত নথিপত্র সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম জানান, দুবাই পুলিশের চিঠি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত জবাব পাঠানো গেলে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

এর আগে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি বাংলাদেশ সরকারকে ই-মেইলে জানায়, দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে আটক করা হয়েছে।

এরপর বাংলাদেশ সরকার ইন্টারপোলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রত্যর্পণ চায়। দুদকের প্রস্তুত করা প্রায় ১৪৪ পৃষ্ঠার নথি আরবি ভাষায় অনুবাদ করে কূটনৈতিক মাধ্যমে দুবাইয়ে পাঠানো হয়। এতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার বিবরণ ও প্রত্যর্পণের প্রয়োজনীয় আইনি নথি যুক্ত ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুবাই পুলিশের চিঠিতে মূলত চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ কোন আইনের আওতায় এবং কী প্রক্রিয়ায় বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে নিতে চায়।

কারণ বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণ বিষয়ে কোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নেই। এ ছাড়া আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আন্তর্জাতিক আইনি ভিত্তি, পরোয়ানার কার্যকারিতা এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় আইন মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের বিষয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

বেনজীর আহমেদ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালক এবং পরে পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।

২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে দুদক। পরে আদালতের নির্দেশে তার ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদ জব্দ করা হয়। তদন্ত চলাকালে ২০২৪ সালের ৪ মে তিনি দেশ ছাড়েন।

পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয় এবং আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচার ও জালিয়াতিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে।

ভিওডি বাংলা/আ


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
হজ প্যাকেজ ঘোষণা আজ, কমতে পারে বিমান ভাড়া
ছবি: সংগৃহীত
শুল্ক গোয়েন্দায় নতুন মহাপরিচালক, কাস্টমসের ৩ শীর্ষ পদে রদবদল
ছবি: সংগৃহীত
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি ক্যালেন্ডারে এক বছর, স্বজনদের মনে যেন গতকাল