• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
জাতীয় অধ্যাপক হলেন শিক্ষাবিদ মাহবুব উল্লাহ ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ৪০০ শালিক হত্যায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের নীতিমালায় সম্পাদকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নতুন মিশন, লিগ মাতাবেন সাকিব শেখ হাসিনা দেশে আসছেন এটি স্রেফ রাজনৈতিক কথা: আন্দালিব পার্থ তদবির করতে এসে ‘ভুয়া বিসিএস কর্মকর্তা’ আটক যুদ্ধ শেষের সিদ্ধান্ত তেহরানের হাতে, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, বিজয়ীদের পুরস্কার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গাজীপুরে শিল্পকারখানা ও বাসাবাড়িতে গ্যাসের তীব্র সংকট

  গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ:  ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪০ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরে এক সপ্তাহ ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিল্পকারখানা মালিক ও সাধারণ বাসিন্দারা। শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় নিবন্ধিত কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ১৭৬টি, যার মধ্যে পোশাক কারখানা রয়েছে ১ হাজার ১৫৪টি। ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিল্পকারখানার বিশাল একটি অংশ গ্যাসনির্ভর। যেখানে প্রায় ২০ লাখ শ্রমিক কর্মরত আছেন। পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ না থাকায় অনেক কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে, আর আবাসিক এলাকায় রান্নাবান্না নিয়ে তৈরি হয়েছে মহাভাবনা। 

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে জেলার তিন শতাধিক ডাইং কারখানা। সাধারণত এসব কারখানার বয়লার চালু রাখতে অন্তত ৩ পিএসআই গ্যাসের চাপের প্রয়োজন হয়।

তবে মৌচাক এলাকার সাদমা গ্রুপের কর্তাব্যক্তিরা জানান, গত এক সপ্তাহে গ্যাসের চাপ কমে দশমিক ৫০ থেকে ১ পিএসআইয়ে নেমে এসেছে। সাদমা গ্রুপের পরিচালক সোহেল রানা বলেন, ৩ থেকে ৪ পিএসআই গ্যাস সরবরাহ থাকলে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদন চালানো সম্ভব। বর্তমানে চাপ এতই কম যে শ্রমিকদের অধিকাংশ সময় বসে থাকতে হচ্ছে এবং উৎপাদন ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কমে গেছে। ডাইং কাজ সচল রাখতে অনেকে বাধ্য হয়ে চড়া দামে ডিজেল ব্যবহার করছেন, এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ।

চন্দ্রা এলাকার টাওয়াল টেক্সের সহকারী ব্যবস্থাপক ওমর ফারুক জানান, সংকট দীর্ঘায়িত হলে একদিকে যেমন সময়মতো শিপমেন্ট না দেওয়ায় ক্রেতাদের আস্থা হারানোর ভয় রয়েছে, অন্যদিকে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

শিল্পকারখানার পাশাপাশি আবাসিক এলাকা ও সিএনজি স্টেশনগুলোতেও নাভিশ্বাস উঠেছে। কোনাবাড়ির গৃহিণী শারমিন আক্তার জানান, সকালে চুলা না জ্বলায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। অন্যদিকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যানবাহন চালকেরা।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের উপমহাব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রকৌশলী মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, গ্যাস সংযোগ লাইনে অগ্নিকাণ্ডের কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত লাইনটি পুরোপুরি মেরামত করতে আরও অন্তত তিন দিন সময় লাগবে। তবে লাইন মেরামতের পরও গ্যাসের স্বাভাবিক চাপ ফিরে পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

ভিওডি বাংলা/আর 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি: সংগৃহীত
জামায়াত গণতান্ত্রিক দল কি না নিজেরাই বিবেচনা করুক: মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহিত
সিইআইজেডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মীদের বিক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লা মহিলা কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরদিনই ৬ শিক্ষকের পদায়ন