প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা পরিবর্তন, যুক্ত ৭ শর্ত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় বদলি কমিটির কাঠামো পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে সাতটি নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে বদলি প্রক্রিয়া আরও নিয়ন্ত্রিত ও স্বচ্ছ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ জুলাই সংশোধিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি ও পদায়ন নীতিমালা’ জারি করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বদলি কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দু'জন করে বিদ্যোৎসাহী বা শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। আগে এসব কমিটিতে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সদস্য করার বিধান ছিল।
এ ছাড়া জাতীয় বদলি কমিটির নেতৃত্বেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)। এর আগে এই দায়িত্ব পালন করতেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব।
সংশোধিত নীতিমালায় সহকারী শিক্ষকদের বদলির জন্য কয়েকটি বাধ্যতামূলক শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। চাকরিতে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কেউ বদলির আবেদন করতে পারবেন না। একই সঙ্গে একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত নতুন করে বদলির আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র শূন্য পদের বিপরীতে বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের আবেদন ছাড়া সাধারণভাবে কাউকে বদলি করা যাবে না। তবে বিশেষ জনস্বার্থে জাতীয় বদলি কমিটির অনুমোদন নিয়ে এ নিয়মের ব্যতিক্রম করা যেতে পারে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, যেসব বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক বদলির অনুমতি দেওয়া হবে না। একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ভিওডি বাংলা/জা








মন্তব্য