{# Dark-theme overrides for the above-the-fold critical surfaces. Inlined so dark users don't flash a light background while the async dark.css is still loading. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
তুর্কি রাষ্ট্রদূতের হাতে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের শুভেচ্ছাপত্র তুর্কি রাষ্ট্রদূতের হাতে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের শুভেচ্ছাপত্র ফাইনালের ১ দিন আগে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেনটিনায় যোগ দিলেন দুই ব্রাজিল সমর্থক গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারও ব্যর্থ হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান মালয়েশিয়ায় ৬ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, ৩১ পাসপোর্ট জব্দ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুরোনো ফর্মুলা চলবে না: আখতার হোসেন ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জাতীয় এআই নীতি প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ: আইসিটি মন্ত্রী বার্ন ইনস্টিটিউটে দীপুর দাপট, নেপথ্যে পরিচালক নাসির উদ্দীন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত দুইদিনে ডিএমপির ৩৫১২ মামলা

ইলেকট্রিক বাস কিনতে ৪শ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ১০০টি নতুন ইলেকট্রিক বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। এসব বাস কেনা এবং এর আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইকুইটি হিসেবে বরাদ্দ চেয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিসি শাখা থেকে অর্থ সচিবের কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। 

এর আগে বিআরটিসির পক্ষ থেকে এই ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হলে সরকারের ব্যয়সাশ্রয়ী নীতি ও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় অর্থ বিভাগ সরাসরি অনুদান না দিয়ে একটি ‘উন্নয়ন প্রকল্প’ হিসেবে গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছিল। অর্থ বিভাগের যুক্তি ছিল, ঋণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দায়বদ্ধতা তৈরি হয়। 

বিআরটিসি পুনরায় অনুদানের দাবি জানিয়ে যুক্তি দিয়েছে যে বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা ও নিজস্ব তহবিলের সীমাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের বোঝা নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা তাদের জন্য সম্ভব নয়। জনস্বার্থে পরিচালিত একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঋণের সুদ ও মূলধন পরিশোধের চাপ প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা তৈরি করবে। এ প্রেক্ষাপটে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট থেকে ৪০০ কোটি টাকা সরাসরি ‘অনুদান’ বা ‘ইকুইটি’ হিসেবে দেওয়ার জন্য পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে বিটিআরসি।

চিঠিতে জানানো হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একটি সমন্বিত, দক্ষ ও ‘সবুজ পরিবহন করিডোর’ নির্মাণের লক্ষ্যে বিআরটিসির বহরে ইলেকট্রিক বাস সংযোজন এখন সময়ের দাবি। এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমানো, আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ সাশ্রয় করা এবং নাগরিকদের জন্য আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

ইলেকট্রিক বাস আমদানিসহ আনুষঙ্গিক খাতের সম্ভাব্য ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ তালিকা করা ১০০টি বাসের প্রতিটির সম্ভাব্য দাম দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা হিসেবে মোট ২৪০ কোটি টাকা। বাসের ব্যাটারি চার্জ করার জন্য ২৫টি চার্জিং স্টেশন স্থাপনে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। প্রতিটি স্টেশন নির্মাণে খরচ হবে দুই কোটি টাকা। এ ছাড়া যন্ত্রাংশের জন্য ৩৫ কোটি টাকা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার জন্য ২০ কোটি টাকা, বাসের পরিবহন ও রেজিস্ট্রেশন ব্যয়ের জন্য ২৫ কোটি টাকা এবং বিআরটিসির ডিপোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও মেরামতের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

বিআরটিসি জানিয়েছে,  বৈদ্যুতিক বাসগুলো মূলত ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ রুট এবং বিভাগীয় শহরগুলোর আন্তঃনগর রুটে চলাচল করবে। ঢাকার তীব্র বায়ুদূষণ রোধে এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিআরটিসির দাবি, প্রাথমিক বিনিয়োগ কিছুটা বেশি মনে হলেও দীর্ঘ মেয়াদে বৈদ্যুতিক বাস পরিচালনার ব্যয় প্রচলিত ডিজেল বা সিএনজিচালিত বাসের তুলনায় অনেক কম। ফলে এটি দীর্ঘ মেয়াদে রাষ্ট্রীয় সাশ্রয় নিশ্চিত করবে এবং যাত্রীদের যাতায়াতের মান আরও উন্নত হবে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে সরকারি আর্থিক বিধিবিধান এবং ক্রয় আইন কঠোরভাবে অনুসরণ করেই বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয় করা হবে।

এ প্রসঙ্গে সরকারি গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হক সমকালকে বলেন, গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সারাবিশ্বেই এ ধরনের রাষ্ট্রীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার ভর্তুকি বা অনুদান দিয়ে পরিচালনা করে থাকে। কারণ এখানে সরাসরি বাণিজ্যিক মুনাফার চেয়ে সামাজিক কল্যাণ বেশি জড়িত।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক বলেন, অনুদানের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যেন জনগণের করের টাকার কোনো অপচয় না হয়। বাস কেনা থেকে শুরু করে অবকাঠামো নির্মাণে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকতে হবে। একই সঙ্গে বিআরটিসিকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিতে হবে, যেন ভবিষ্যতে যে কোনো নতুন উদ্যোগ বা বাস কিনতে তাদের বারবার সরকারের কাছে অনুদান না নিতে হয়। 

ভিওডি বাংলা/বিন্দু


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ভারী বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে রাজধানীর বাজারে ডিম, মুরগি ও সবজির দাম বেড়েছে। ছবি: ভিওডি বাংলা
বৃষ্টি-বন্যায় অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার
ছবি: সংগৃহীত
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৬৬ বিলিয়ন ডলার
ছবি: সংগৃহীত
সপ্তমবারের মতো ‘টপ এমপ্লয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিএটি বাংলাদেশ