বিএনপি নেতা সোহেল হত্যার বিচার চাইলেন মীর নেওয়াজ আলী

লালবাগ থানা বিএনপির ২৩নং ওয়ার্ড ইউনিটের সাবেক সভাপতি এবং খালেদা জিয়া-তারেক জিয়া ও পিন্টু মুক্তি পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক সাঈদ হোসেন সোহেলের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল হয়েছে।
রাজধানীর লালাবাগের আজিমপুর ছাপরা মসজিদ এলাকায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-যুববিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ।
তিনি বলেন, সাঈদ হোসেন সোহেলকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল। সেখানে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে বিনা চিকিৎসায় কারাগারেই তার মৃত্যু হয়। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে সাঈদ হোসেন সোহেলের নির্মম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও বিচারের দাবি জানাই।
মীর নেওয়াজ আলী বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় আমার সাথে সাঈদ হোসেন সোহেল ও চকবাজার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আনোয়ার পারভেজ বাদল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর কারাগারে আমাদের তিনজনকে তিন জায়গায় সরিয়ে দিয়ে অস্বাভাবিক নির্যাতন করা হয়। এরপর অসুস্থতার কারণে আদালত সোহেলকে জামিন দিলেও ফ্যাসিস্টের দোসর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে আটকে রাখে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় এ নেতা আরও বলেন, সাঈদ হোসেন সোহেল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লালবাগ থানার ২৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেন। একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। পরবর্তীতে ভোট কারচুপি ও ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে সাঈদ হোসেন সোহেলকে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়।
আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ২৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মীর আশরাফ আলী আজম, আজিমপুর বটতলা ইউনিট বিএনপির সভাপতি আরমান হোসেন বাদলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ। এ সময় সাঈদ হোসেন সোহেলের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন লালবাগ থানা জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি মোহাম্মদ রাজেশ গনি।
এদিকে, বিএনপি নেতা সোহেলের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে লালবাগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মসজিদে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
ভিওডি বাংলা/এফএ








মন্তব্য