রৌমারী সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দু’টি সীমান্তপথ দিয়ে নারী ও শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
রোববার (১৪ জুন) ভোরের দিকে উপজেলার গয়টাপাড়া ও ইজলামারী সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, গয়টাপাড়া সীমান্ত এলাকায় এক নারী, দুই শিশু ও তিন যুবকসহ মোট ছয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। একই সময়ে ইজলামারী সীমান্ত দিয়েও আরও তিনজনকে প্রবেশ করানোর উদ্যোগ নেয় বিএসএফ। তবে সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্য এবং স্থানীয় জনগণের উপস্থিতি ও প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বর্তমানে ওই ৯ জন সীমান্তের কাঁটাতারের নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থান করছেন। বিএসএফ তাদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করলেও বিজিবি এখনো তাদের জাতীয় পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করছে।
ঘটনার পর উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।
দুপুর পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীরাও সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণও বিজিবিকে সহযোগিতা করছে।
তিনি আরও জানান, বিএসএফ যাদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করছে, তাদের পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে। তারা বাংলাদেশি হয়ে থাকলেও আন্তর্জাতিক ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বিএসএফকে জানানো হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা







