{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল:

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মতপ্রকাশে বিধিনিষেধ ছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১০ মে ২০২৬, ১১:২২ এ.এম.
ছবি : সংগৃহীত

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশে মতপ্রকাশ, সংগঠন এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতার ওপর অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সময় বিভিন্ন পর্যায়ের মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, লেখক, ব্লগার ও কবিরা নিজেদের মত প্রকাশের কারণে হয়রানি, গ্রেপ্তার এবং কখনও কখনও সহিংসতার শিকার হয়েছেন। 

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে প্রণীত ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’, যা পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে সমালোচকদের দমনে ব্যবহৃত হতো, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও কার্যত ভিন্ন নামে ব্যবহার করেছে। সংস্থাটির মতে, এই আইনের মাধ্যমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় অনেক নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা ও আটক প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

পরবর্তীতে ওই আইনটি বাতিল করে নতুনভাবে ‘সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ’ জারি করা হয়, যা মে মাসে কার্যকর হয়। তবে এটি এখনো চূড়ান্তভাবে সংসদীয় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অ্যামনেস্টির মতে, নতুন অধ্যাদেশ আনার পরও উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি, কারণ এতে পুরোনো আইনের অনেক বিতর্কিত ধারা বহাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ও আরও কয়েকজন ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছিলেন। মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, এ ধরনের ঘটনা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করেছে।

এছাড়া জুলাই মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও প্রতিবেদনে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের এক অন্যতম সমন্বয়ক শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার প্রভাব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও পড়ে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওই সময় দেশের শীর্ষ দু’টি সংবাদমাধ্যম-ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলোতে হামলার ঘটনাও ঘটে, যা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
কেআইবিতে বিয়ের আয়োজন, কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
কেআইবিতে বিয়ের আয়োজন, কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
শক্তিশালী বৃষ্টি বলয়ের আভাস, সক্রিয় থাকবে যতদিন
শক্তিশালী বৃষ্টি বলয়ের আভাস, সক্রিয় থাকবে যতদিন
সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের
সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের