যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার খবর
তেলের দামে বড় সুখবর, ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির খবরে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বিশ্ববাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে তেলের দাম, পাশাপাশি বড় উত্থান হয়েছে বিশ্বের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে।
বুধবার প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলার থেকে নেমে ৯৭ ডলারে আসে। পরে কিছুটা বেড়ে তা আবার ১০১ ডলারের ওপরে ওঠে।
একই সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। লন্ডনের এফটিএসই ১০০, জার্মানির ড্যাক্স এবং ফ্রান্সের ক্যাক ৪০ সূচক শক্ত অবস্থানে লেনদেন শেষ করে। যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকও ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
এশিয়ার বাজারেও ছিল ইতিবাচক প্রবণতা। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক ১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং জাপানের নিক্কেই সূচক শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে দিন শেষ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য সমঝোতায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ও থাকতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। সংঘাতের কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে ওই অঞ্চলে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে বড় চাপ তৈরি হয়।
তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়েছেন, সমঝোতা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে আরও বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব এখনো পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শুরুর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলারের কাছাকাছি ছিল। তবে সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন ও পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।
ভিওডি বাংলা/আ







