আবদুস সালাম:
‘গার্ডেন অব মেমোরি’ বাংলাদেশ-রাশিয়া বন্ধুত্বের প্রতীক

রুশ বিপ্লব ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মদানকারী সোভিয়েত বীর সেনাদের স্মরণে রাজধানীর ধানমন্ডি লেকে আয়োজিত ‘গার্ডেন অব মেমোরি’ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ-রাশিয়া বন্ধুত্ব ও পরিবেশ রক্ষার যৌথ দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
তিনি বলেন, “গার্ডেন অব মেমোরি শুধু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক এবং পরিবেশ রক্ষায় যৌথ দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।
শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ধানমন্ডি লেকে রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির প্রশংসা করে পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

অনুষ্ঠানে তিনি শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীরদের স্মরণে এ আয়োজন করার জন্য ঢাকাস্থ রাশিয়ার দূতাবাস ও রুশ হাউসকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘গ্রেট প্যাট্রিয়টিক ওয়ার’ (১৯৪১-১৯৪৫)-এ নিহতদের স্মরণে ‘গার্ডেন অব মেমোরি’ রাশিয়া থেকে শুরু হওয়া একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। এর আওতায় প্রতি বছর রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গাছ রোপণ করা হয়। প্রতিটি গাছ একেকটি প্রাণের প্রতীক হিসেবে ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার বার্তা বহন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রাশিয়ার দূতাবাসের মিনিস্টার-কাউন্সেলর ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিন। সভাপতিত্ব করেন ঢাকাস্থ রুশ হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্রা এ. খলেভনয়।
ভিওডি বাংলা/জা







