যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনবে সরকার

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল এবং মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এছাড়াও যমুনা সেতুর সংস্কার ও প্রশস্তকরণসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত পুনঃদরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পাওয়ার হাউস জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি থেকে এই তেল কিনতে ১৮১ কোটি ২৯ লাখ টাকা গুনতে হবে।
বৈঠকে জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মসুর ডাল ক্রয়ের প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। ৮ হাজার টন ডাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও প্রথম ধাপে ২ হাজার টন ডাল কেনা হবে। যেখানে খরচ ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঢাকার ইজ সার্ভিসেস লিমিটেড এই ডাল সরবরাহ করবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এসব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অপর দিকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৩ টাকা ব্যয়ে যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সেতুর ডেক উন্নয়ন এবং পরিত্যক্ত রেল লাইনকে ব্যবহারযোগ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ কাজের জন্য চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে যৌথভাবে এ কাজ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২৩৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ ও নদী শাসন কার্যক্রম জোরদারে। বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে 'যমুনা নদী টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্প-১' এর আওতায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ, গ্রোয়েন নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্পে এম. এম. বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে ঠিকাদার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এদিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে টিএসপিসিএলের জন্য ৩০ হাজার টন রক ফসফেট আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জেনট্রেড এফজেডই সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। প্রতি টনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৩ দশমিক ৯০ মার্কিন ডলার।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু







