মোহাম্মদপুরে অপরাধ দমনে পুলিশের বড় অভিযান অব্যাহত

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় চলমান চিরুনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান। সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষিতে পুরো এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে এবং বসিলা পুলিশ ক্যাম্পে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার, জেনেভা ক্যাম্প, চাঁদ উদ্যান, ঢাকা উদ্যান ও বসিলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পর্যায়ক্রমে চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কখনও একযোগে আবার কখনও ধাপে ধাপে এসব অভিযান চালানো হচ্ছে।
ডিসি ইবনে মিজান জানান, গত এক সপ্তাহে রায়ের বাজার এলাকায় দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ সেগুলোর রহস্য উদ্ঘাটন করে আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। এ কাজে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অংশ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা বিশেষ নজর দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে বসিলার অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে জনবল বাড়িয়ে দুই প্লাটুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), অর্থাৎ ৬৬ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিসি বলেন, রায়ের বাজার ও বেড়িবাঁধ এলাকায় অপরাধে জড়িতদের একটি অংশ ভাসমান। তারা বিভিন্ন জেলা থেকে এসে এখানে বসবাস করে এবং নির্দিষ্ট পেশা না থাকায় অনেকেই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরাও রয়েছে। তাদের বৈধভাবে জীবনযাপনের আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন—না হলে এলাকা ছাড়তে হবে।
বসিলা ক্যাম্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে এটি ছোট পরিসরে থাকলেও এখন জনবল বাড়িয়ে শক্তিশালী করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এটিকে পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তরের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে, রোববার রাতে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের চিরুনি অভিযানে অর্ধশতাধিক সদস্য অংশ নেন। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভিওডি বাংলা/আ







