লালমুক্তিবার্তা-ভারতীয় তালিকার ৬৪৭৬ জন ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা বাদ: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ভুয়া অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। গেজেট, লালমুক্তিবার্তা এবং ভারতীয় তালিকা থেকে এ পর্যন্ত হাজার হাজার নাম বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
মন্ত্রী জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের নাম মুক্তিযোদ্ধা গেজেট, লালমুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা থেকে বাতিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অমুক্তিযোদ্ধা শনাক্তকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া, যেখানে অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আরও জানান, অনেক ব্যক্তি ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে ভারতীয় তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত এ ধরনের ৮৪২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লালমুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকা বাতিলের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জামুকার উপকমিটি প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত ও শুনানি পরিচালনা করে থাকে। কোনো ব্যক্তি অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে তার সনদ ও সংশ্লিষ্ট সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, দেশের যেকোনো এলাকার অভিযোগই একই প্রক্রিয়ায় তদন্ত করা হবে এবং তালিকা পরিশুদ্ধ করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধাপে ধাপে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যাদের বড় অংশই ভারতীয় তালিকার অপব্যবহারকারী হিসেবে চিহ্নিত।
ভিওডি বাংলা/এমএস







