যুদ্ধ বন্ধে বৈঠকে বসছে ৪ দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি নিশ্চিত করতে চায় উপসাগরীয় দেশগুলো। এ লক্ষ্যে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তুরস্ক, মিশর, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
বিবিসি জানিয়েছে, দুই দিনব্যাপী এ আলোচনার মূল বিষয় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ এবং সবশেষ হুতিদের যোগদান- সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে করনীয় নির্ধারণ করা।
এর আগে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য একটি শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করার জন্য উদ্যোগী হয়ে প্রস্তাব দিয়েছিল পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক।
আলোচনার উদ্যোগের মধ্যেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানের প্রস্তুতির খবর সামনে এসেছে। একটি মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই অভিযান কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে। ফলে যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা আরও দীর্ঘায়িত হতে যাচ্ছে।
এরই মধ্যে গত শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার সেনা জড়ো করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের এক প্রতিবেদনে লিখেছে, পেন্টাগন ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী সম্ভাব্য স্থল অভিযানের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে। এই পরিকল্পনার মধ্যে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত খার্গ দ্বীপ এবং হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকায় অতর্কিত হামলা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত কোনো সেনা মোতায়েনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত এই স্থল অভিযানটি পূর্ণ মাত্রার কোনো আক্রমণ বা দখলদারিত্ব হবে না। এর পরিবর্তে স্পেশাল অপারেশন ফোর্স এবং প্রচলিত পদাতিক বাহিনীর সমন্বয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ঝটিকা অভিযান চালানো হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও গত শুক্রবার জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘স্থল সৈন্য ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার সমস্ত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম।’ তবে ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, সামরিক পরিকল্পনা এখন অনেক দূর এগিয়েছে। একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি কোনো শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নয়; বরং দীর্ঘদিনের রণকৌশলের অংশ।
ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ/এমএস







