দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি নথি অনুযায়ী, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সম্পর্কিত প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই চাঞ্চল্যকর গোয়েন্দা প্রতিবেদন ইতিমধ্যেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, আর্থিক অসংগতি এবং দ্বৈত বাজেটের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
নথির তিন নম্বর পয়েন্টে বলা হয়েছে, সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার পাশাপাশি জড়িতদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের তথ্য যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
নথিটি ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিল এবং উপসচিব মোহাম্মদ গোলাম কবিরের স্বাক্ষর দেখা যাচ্ছে। তবে অনলাইনে ভুয়া সরকারি আদেশ ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা থাকার কারণে নথির আনুষ্ঠানিক সত্যতা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এর শতভাগ সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
অতিরিক্ত তদন্তের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানকে সভাপতি করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তাদের আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস







