• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

এ এক বিশ্বাস-ভালোবাসা, অনুভূতি-অনুপ্রেরণার গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৩ মার্চ ২০২৬, ১২:২৭ পি.এম.
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন—দুজনের এক উষ্ণ আলিঙ্গন। ছবি: সংগৃহীত

নেই ক্ষমতার দূরত্ব, নেই প্রটোকলের কড়াকড়ি—আছে শুধু আন্তরিকতা আর হৃদয়ের টান। এই আলিঙ্গন কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়; বিশ্বাস, ভালোবাসা আর দীর্ঘদিনের আস্থার এক নীরব ভাষা।

ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ক্ষমা আর হৃদয়ের দূরত্ব ঘোচানোর দিন। সেই দিনেই যখন একজন নেতা তাঁর সহযোদ্ধাকে বুকে টেনে নেন, তখন সেটি হয়ে ওঠে নেতৃত্বের এক মানবিক প্রতিচ্ছবি।

ঈদের নির্মল সকালে সবুজে ঘেরা এক শান্ত প্রাঙ্গণে ক্যামেরায় ধরা পড়ে এই অনন্য মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন—দুজনের এক উষ্ণ আলিঙ্গন। আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ ৩৫ বছরের বিশ্বস্ত সঙ্গী। এখানে সেই ৩৫ বছরের বিস্বস্ততার গল্প যেন ফুটে উঠেছে এক বাক্যে।

ঈদের দ্বিতীয় দিন রোববার রাতে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। 

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এবং ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ ছবিটি তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুকের টাইমলাইনে পোস্ট করেন। দুজনেরই ক্যাপশন একই।

ক্যাপশনে তারা লিখেছেন,'নির্মল ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহের অকৃত্রিম সম্পর্ক...! প্রিয় নেতা ও নিষ্ঠাবান কর্মী– দু’জনের জন্যেই নিরন্তর শুভকামনা অফুরান...!'

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় অসংখ্য মানুষ ছবিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। 

ছবিতে দেখা গেছে, দুজনের চোখে-মুখে প্রশান্তির হাসি। যেন বহু পথচলার গল্প, সংগ্রামের স্মৃতি আর একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার—সবকিছু মিলেমিশে একাকার এই একটি মুহূর্তে। প্রধানমন্ত্রীর স্নিগ্ধ উপস্থিতি আর পাশেই তাঁর বিশ্বস্ত সহকর্মীর বিনয়ী অবয়ব—দুটি চরিত্র, কিন্তু এক অভিন্ন বন্ধন।

একজন নেতা কেবল নির্দেশ দেন না, তিনি অনুপ্রেরণা দেন। আর একজন কর্মী কেবল দায়িত্ব পালন করেন না, তিনি হৃদয় দিয়ে তা ধারণ করেন। এই ছবিটি যেন সেই সম্পর্কেরই প্রতীক—যেখানে ভালোবাসা আছে, শ্রদ্ধা আছে, আর আছে অবিচল আস্থা।

এই কোলাকুলি তাই শুধু ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় নয়; এটি একটি বার্তা—নেতা ও কর্মীর সম্পর্ক যখন বিশ্বাস আর আন্তরিকতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে, তখন তা হয়ে ওঠে পরিবারসম। আর সেই সম্পর্কই একটি জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগায়।

নির্মল ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার এই দৃশ্য তাই শুধু একটি ছবি নয়—এটি এক অনুভূতির নাম, এক অনুপ্রেরণার গল্প।

ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
জামায়াত আমিরের কাছে ইনসাফ চান রনি
জামায়াত আমিরের কাছে ইনসাফ চান রনি
খামেনির নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক
খামেনির নিহতের ঘটনায় জামায়াত আমিরের শোক