• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ২৫ কোটি লিটার পানির সংকট চীনের প্রস্তাবগুলোর ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ বিবেচনা করা হবে: শেখ রবিউল আলম মাদক ঠেকাতে যুবসমাজকে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের আনোয়ারায় সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস স্থানীয় সরকার নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে: সংসদে মির্জা ফখরুল আদাবর থানার ওসিকে কোপাল ছিনতাইকারীরা, গুলি চালাল পুলিশ অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে মোশাররফ-জুঁই, আসলে যা ঘটেছিল কলকাতায় হত্যা মামলায় জামিন, কারামুক্তির পথে আবুল বারকাত

আরব দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইরানি হামলার শিকার আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১৮ মার্চ ২০২৬, ০২:১৯ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে প্রতিদিনই নতুন উত্তেজনা যোগ করছে ইরানের ধারাবাহিক হামলা। যুদ্ধ শুরুর পর গত ১৭ দিন ধরে অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে যাচ্ছে তেহরান, যার সবচেয়ে বড় লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের তথ্য উল্লেখ করে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশকে লক্ষ্য করে ইরান ৩ হাজারের বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে আমিরাতের দিকে।

আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে— রাজধানী আবুধাবির দক্ষিণে আল-দাফরা বিমানঘাঁটি এবং দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দর। মূলত এই দুটি স্থাপনাকে লক্ষ্য করেই অধিকাংশ হামলা হয়েছে। তবে এর বাইরে দেশটির বিমানবন্দর, তেলক্ষেত্রসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনাতেও আঘাত হেনেছে ইরান।

এ পর্যন্ত ইরানের এসব হামলায় আমিরাতে ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২ জন দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং বাকি ৬ জন বেসামরিক নাগরিক।

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ২১ দিন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চলে। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।

এর পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই হামলাগুলোতে ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। পাশাপাশি ইরানের বহু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ২ হাজার ছাড়িয়েছে।

তবে পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও থেমে নেই। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ— সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

সূত্র: আলজাজিরা

ভিওডি বাংলা/এমএস

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
খামেনির স্বাক্ষর ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা!
খামেনির স্বাক্ষর ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা!
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি হয়ে গেছে, দাবি ট্রাম্পের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি হয়ে গেছে, দাবি ট্রাম্পের
আমেরিকায় বিমান বিধ্বস্ত, দুর্ঘটনা নাকি অন্য খেলা!
আমেরিকায় বিমান বিধ্বস্ত, দুর্ঘটনা নাকি অন্য খেলা!