চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ

দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে চলছে টানা কার্যক্রম। আমদানিকৃত জ্বালানি দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে বন্দরে ভিড়তে যাচ্ছে আরও দুটি বড় জাহাজ, যা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করবে।
বর্তমানে খালাস প্রক্রিয়ায় থাকা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ এবং ‘এলপিজি সেভেন’—এই দুটি জাহাজের মধ্যে প্রথমটি বুধবার (১৮ মার্চ) এবং দ্বিতীয়টি শুক্রবার (২০ মার্চ) বন্দরে ভিড়বে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব জাহাজের আগমন দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সচল ও স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে গত ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছায় এবং বর্তমানে ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করছে। জাহাজটি থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস করা হয়েছে এবং ১৯ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে সম্পূর্ণ খালাস শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজটি বুধবার মূল জেটিতে ভিড়বে।
অন্যদিকে, ‘এলপিজি সেভেন’ জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৮ মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছায় এবং বর্তমানে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার ২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস করা হয়েছে। ২০ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে জাহাজটির কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ওইদিনই এটি বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে।
বন্দরের পরিসংখ্যান বলছে, মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে বেশিরভাগই ইতোমধ্যে কার্গো খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজ এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও ও বেস অয়েল সরবরাহ করেছে। এছাড়া কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে আরও কয়েকটি এলএনজি, এইচএসএফও ও এলপিজিবাহী জাহাজ বর্তমানে বন্দরের পথে রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজগুলোর আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
সূত্র: বাসস
ভিওডি বাংলা/এমএস







