• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ইউজিসির নীতিমালা ৩ ধাপ পেরিয়ে শিক্ষক নিয়োগ: শেকৃবি

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি    ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১২ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ করে লিখিত, ডেমো ক্লাস এবং মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর বিভিন্ন অনুষদ এবং সীড টেকনোলজি ইন্সটিটিউটে।

রোববার (১৫ মার্চ) বাছাই বোর্ডের অন্যতম সদস্য প্রোভিসি প্রফেসর ড. বেলাল হোসেন বলেন, "বিভিন্ন ক্রাটেরিয়ার উপর ভিত্তি করে এবং সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এই নীতিমালা আগে কখনো অনুসরণ করা হতো না। ইতোপূর্বে শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করে শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হতো সেখানে মাস্টার্সের বিষয়টিও বিবেচনা করা হতো না। অনার্স পাস করেই প্রভাষক পদে নিয়োগ পেত এমনকি এক বিষয়ে মাস্টার্স করা প্রার্থী অন্য বিষয়ে নিয়োগ পেত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায় থেকে সুপারিশ আসে ফলে মেধাবী প্রার্থী বাদ পড়ার আশংকা থাকে। জুলাই আন্দোলন এর পর আমি দায়িত্ব নিয়েই প্রত্যয় করি শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন ধরনের  সুপারিশ এড়িয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন নিয়োগ পায় সে বিষয়ে জোর দেয়া।

ইতোপূর্বে  শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে কিন্তু এই প্রথম লিখিত পরীক্ষা নিয়ে প্রতি পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ৫ জন প্রার্থীকে ডেমো ক্লাস এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়। তারপর তাদের ডেমো ক্লাস এবং মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়।

প্রার্থীদের পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে বাছাই বোর্ডের প্রত্যেক সদস্য আলাদা আলাদা নম্বর প্রদান করেন। প্রার্থীদের এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স, মাস্টার্স এর প্রাপ্ত সিজিপিএ, লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এবং ডেমো ক্লাস ও মৌখিক পরীক্ষার  নম্বর যোগ করে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।"

বাছাই বোর্ডের আরও একজন সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. আবুল বাশার বলেন, "এবারে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে ভবিষ্যতেও শিক্ষক নিয়োগে এই নিয়ম অনুসরণ করা উচিত।"

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন গুলো আশাবাদ ব্যক্ত করে যে এই ধারা অব্যাহত থাকলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মেধাবী শিক্ষক এর মাধ্যমে দেশের জন্য মেধাবী কৃষিবিদ তৈরী করবে। যা কৃষিপ্রধান বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বায়নের যুগে এগিয়ে নিবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের বিষয়ে কয়েকজনের অভিযোগ রয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা এবং মামলার আসামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছে। এবিষয়ে উপাচার্য মহোদয় বলেন ভাইভাতে কাউকে রাজনৈতিক পরিচয় জিজ্ঞেস সম্ভব নয়, তবে ছাত্রলীগের পদধারী কাউকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ  সত্য নয়। আর মামলার আসামী নিয়োগের তো প্রশ্নই ওঠে না, কারন সরকারি নিয়মানুযায়ী চাকুরির ভেরিফিকেশন এর পর তার নিয়োগ বাতিল হবে।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
জাককানইবিতে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ
জাককানইবিতে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ
জামায়াতের ইশতেহার প্রগতিশীল-উদ্ভাবনী, নারীরাও ইনক্লুসিভ
ঢাবি শিক্ষিকার মন্তব্য: জামায়াতের ইশতেহার প্রগতিশীল-উদ্ভাবনী, নারীরাও ইনক্লুসিভ
শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ ৩০ আহত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষ: শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ ৩০ আহত