দাদি-নাতনি হত্যা
জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রের

পাবনার ঈশ্বরদীর চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যার রহস্য দ্রুত উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে এ দাবি জানান সংস্থাটির কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক-২ তানভীর আহমেদ দ্বীপ।
তিনি তার সংস্থার সদস্যদের নিয়ে নিহতের বাড়িতে যান এবং ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সুরক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রে’র কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক-২ তানভীর আহমেদ দ্বীপ বলেন, এই নৃশংস হত্যাকান্ড কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমাদের মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে বলতে চাই, নতুন বাংলাদেশে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটবে-এটা আমরা প্রত্যাশা করি না। পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আমাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে আর কোথাও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তা না হলে সাধারণ মানুষ আইনের প্রতি আস্থা হারাবে।
এ সময় পাবনা জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সংস্থার দপ্তর সম্পাদক আবিদ হাসান আকাশ, সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দীন পাপন, জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুদ রানা, সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শামীম ইসলাম, ডেপুটি ডিরেক্টর অব ইউনিভার্সিটি পাবনা জেলার নিলয় পারভেজ দ্বীপ, সদস্য সোহাগ হোসেন প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতের পর ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির উঠানে দাদি সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এ সময় নাতনি জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষা ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহত সুফিয়া বেগম ওই গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিন খাঁ’র স্ত্রী। আর জামিলা আক্তার উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা দশম শ্রেণীর ছাত্রী ও হাফেজা ছিল। তার বাবার নাম জয়নাল উদ্দিন খাঁ।
ভিওডি বাংলা/এম এস রহমান/আ







