মাহাদী আমিন:
আন্তরিকতা-সম্প্রীতির ধারাই হোক নতুন রাজনীতির সৌন্দর্য

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচিত ছিল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় নামে। দেশের অসংখ্য মানুষের মতো সেই কার্যালয়কে ঘিরে নিজেরও আগ্রহ ও কৌতূহল ছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মাহাদী আমিন তার ভেরিফাই ফেসবুক পেজে এক পোস্ট করে এসব কথা বলেন।
জাতীয় ঐকমত্য ও সামগ্রিক রাজনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার–এর অফিসে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। অফিসটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়েই অবস্থিত ছিল।
মাহাদী আমিন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশের পর উপলব্ধি করলাম, মনির ভাইয়ের সেই অফিস কক্ষটিই কাকতালীয় বন্টনে আমার কর্মস্থলে পরিণত হয়েছে। বিস্ময়ের সঙ্গে তার একটি নোটও পেয়েছি, যা লিখার সময় তিনি নিজেও জানতেন না, একদিন সেটি আমার হাতে এসে পৌঁছাবে। আন্তরিকতা ও সম্প্রীতির এই ধারাই হোক নতুন রাজনীতির সৌন্দর্য।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার এর নোটে যা লিখা ছিল:
প্রিয় শুভার্থি
সালাম, অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা।
সশরীরে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাতে পারলে খুশী হতাম। সেই সুযোগ নেই। এক বছরের সরকারি দায়িত্ব পালনকালে এই কক্ষটি আমার অফিস হিসাবে ব্যবহার করেছি এবং সেই সূত্রে এটি বেশ কিছু ঐহিহাসিক কর্ম-প্রচেষ্টার নিরব সাক্ষী। এখানে বসেই বিভিন্ন পর্যায়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ এবং অন্য সদস্যরা ঐতিহাসিক “জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫” প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলিতেও এই অফিস কক্ষটি
বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দায়িত্ব পালনের সময় এই কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মীগণ সর্বোতভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আশা রাখছি, আপনার বেলায়ও তার ব্যতিক্রম হবে না। আপনার সুস্বাস্থ্য, সর্বাঙ্গীন সাফল্য ও কল্যান প্রত্যাশী।
ভিওডি বাংলা/জা







