হাতিয়ায় বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষে আহত অন্তত ২১

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ–এর উপস্থিতিতে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপির কর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে বিএনপির একটি কার্যালয়, কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মোটরসাইকেলসহ একাধিক যানবাহন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। আহতদের মধ্যে বিএনপি কর্মী আকবর, হেলাল, রিয়াদ, জাহের, হক সাহেব, লুবনা আক্তারসহ অন্তত ২১ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে চানন্দী ইউনিয়নের প্রকল্প বাজারে আসেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন ইস্যুতে বক্তব্য দেন। বক্তব্য শেষে ফেরার পথে প্রকল্প বাজার এলাকায় বিএনপির লোকজনের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় বিএনপির কার্যালয়, দোকানপাট ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে এমপি মাসউদ তাঁর নেতাকর্মীদের নিয়ে সড়কে কিছু সময় অবস্থান নেন।
সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ অভিযোগ করেন, ‘আমি প্রকল্প বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে দেখে ফেরার পথে স্থানীয় বেলাল ডাকাতের নেতৃত্বে আমার গাড়িবহরের পেছন থেকে হামলা করা হয়। বেলাল আগে আওয়ামী লীগ করলেও এখন বিএনপিতে যোগ দিয়েছে।’ তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
অন্যদিকে, চানন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘প্রকল্প বাজারে এমপি মাসউদ উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। এর পর তাঁর দলের নেতাকর্মীরা প্রথমে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। পরে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মোটরসাইকেলে হামলা করে। স্থানীয়রা প্রতিরোধের চেষ্টা করলে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা করা হয়।’
তিনি দাবি করেন, এ ঘটনায় বিএনপির অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/আ







