নারী বিপিএলে ‘আইকন’দের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ১০ লাখ টাকা

প্রথমবারের মতো নারী বিপিএল আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিন দলের এই টুর্নামেন্টের প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ মার্চ। নির্বাচকরা ইতোমধ্যেই স্থানীয় নারী ক্রিকেটারদের ক্যাটাগরি নির্ধারণের কাজ শুরু করেছেন।
স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য মোট পাঁচটি ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হবে। সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি ‘আইকন’, যেখানে জাতীয় দলের তিনজন তারকা ক্রিকেটারকে এক করে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নেবে। এই ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ১০ লাখ টাকা।
আইকন হিসেবে অধিনায়ক নিগার সুলতানার নাম প্রায় নিশ্চিত। তার সঙ্গে সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার এবং ব্যাটার সোবহানা মোস্তারিও এই ক্যাটাগরিতে বিবেচনায় আছেন।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন মোট ৬ জন ক্রিকেটার। প্রতিটি দল এই ক্যাটাগরি থেকে দু’জন করে খেলোয়াড় বেছে নেবে। এ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ৭ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকা ১২ জন ক্রিকেটার পাবেন ৫ লাখ টাকা করে। ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রাখা হবে প্রায় ২০ জন ক্রিকেটার, যাদের পারিশ্রমিক ৩ লাখ টাকা। যদি ‘সি’ ক্যাটাগরির প্রথম ড্রাফটে কেউ বাছাই না হন, তারা ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে তোলা হবে এবং পারিশ্রমিক হবে দেড় লাখ টাকা। এখনও চূড়ান্ত হয়নি কে কোন ক্যাটাগরিতে থাকবেন। নারী দলের নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ জানিয়েছেন, কয়েক দিনের মধ্যে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
ড্রাফটের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো বিদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করতে পারবে। প্রয়োজনে তাদের ড্রাফটেও অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। সম্ভাব্য পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে: এ ক্যাটাগরি ৮ হাজার মার্কিন ডলার, বি ৬ হাজার মার্কিন ডলার, এবং সি ৩ হাজার মার্কিন ডলার।
প্রতিটি ম্যাচে একাদশে দুইজন বিদেশি খেলোয়াড় বাধ্যতামূলক। স্কোয়াডে অন্তত চারজন বিদেশি ক্রিকেটার রাখা আবশ্যক।
নারী বিপিএলের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩ থেকে ১৫ এপ্রিল। ঢাকা শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ছাড়াও চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম ভেন্যু হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে।
এদিকে, তিন দলের টুর্নামেন্টের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানা বিক্রির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিসিবি। ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যেই ছেলেদের বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মালিক নাবিল গ্রুপ ফ্র্যাঞ্চাইজি নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। একই সঙ্গে টিভি সম্প্রচার ও স্পন্সরশিপের কাজও শুরু করেছে বিসিবি।
বিসিবির লক্ষ্য, প্রথম নারী বিপিএল সফলভাবে আয়োজনের মাধ্যমে দেশের নারী ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় ও পেশাদারি মানের দিকে নিয়ে যাওয়া।
ভিওডি বাংলা/জা







