• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরব সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পিলখানায় শহীদ সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ফ্যামিলি কার্ডে টাকা চাওয়ার সুযোগ নেই বিডিআর বিদ্রোহ ও পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ইরানে বিক্ষোভ-সম্পর্কিত মামলায় প্রথম মৃত্যুদণ্ড এনসিপি আমাকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হতে বলেছে: আসিফ মাহমুদ ট্রাম্পের নতুন বৈশ্বিক শুল্ক কার্যকর হলো ১০ শতাংশ হারে

বিডিআর বিদ্রোহ ও পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪০ এ.এম.
পিলখানায় সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে সেনা দিবস পালিত হচ্ছে-ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পিলখানায় ২০০৯ সালের এই দিনে তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে সংঘটিত নৃশংস হত্যাযজ্ঞে তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। তার স্ত্রীসহ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও এ ঘটনায় প্রাণ হারান। পরদিনও হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা চলে। নিয়ম অনুযায়ী আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’। 

এই ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। ঘটনার ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও পরিকল্পনাকারীদের সম্পূর্ণভাবে বিচারের আওতায় আনা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।  দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। গত বছর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটি পালন করা হচ্ছে।

২৫ ফেব্রুয়ারির ক্ষত এখনও দেশবাসীকে নাড়া দেয়। দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে সংঘটিত সেনা হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা ছিল।

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বে পালিত হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। তিনি শহীদদের মাগফেরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিলখানার সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান। বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই। তবে নাগরিক হিসেবে এ ঘটনার নেপথ্যে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতার বিষয়টি অনুধাবন করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় পিলখানার দরবার হলে বিডিআরের বার্ষিক দরবার চলাকালে এ ঘটনা শুরু হয়। সে সময় মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের বক্তব্যের একপর্যায়ে কিছু বিদ্রোহী সৈনিক অতর্কিত হামলা চালায়। পরে সেনা কর্মকর্তাদের ওপর হামলা ও জিম্মির ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ উত্তেজনা ও নাটকীয়তার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বিদ্রোহের অবসান হয় এবং পিলখানার নিয়ন্ত্রণ নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২৭ ফেব্রুয়ারি পিলখানার ভেতরে একাধিক গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রীসহ নিহত সেনা কর্মকর্তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিডিআরের সাবেক ডিএডি তৌহিদসহ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২৭৭ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

সর্বশেষ, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত বছরের ১৯ জানুয়ারি ২৫০ জন বিডিআর জওয়ানকে জামিন দেওয়া হয়। ২৩ জানুয়ারি ১৭৮ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী
পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী
রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
ধর্মমন্ত্রীর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ধর্মমন্ত্রীর সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ