সংরক্ষিত মহিলা আসনে তানজিন চৌধুরী লিলির মনোনয়ন দাবি

সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে তানজিন চৌধুরী লিলি-কে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি দিন দিন জোরালো হয়ে উঠছে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন মহলের অভিমত, এই দাবি কোনো ব্যক্তি-কেন্দ্রিক আবেগ নয়; বরং ত্যাগ, সংগ্রাম ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির প্রতি দায়বদ্ধতারই স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তানজিন চৌধুরী লিলি বারবার প্রমাণ করেছেন, তিনি পদ-পদবি বা ব্যক্তিস্বার্থের রাজনীতি করেন না। মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানই তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি। নানা সময়ে দমন-পীড়ন, নির্যাতন ও কারাবরণের মতো কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেও তাঁর মনোবল কখনো ভেঙে পড়েনি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীক কণ্ঠ ও গণমানুষের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান তাঁকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শামসুন্নাহার হল থেকে শুরু হওয়া তাঁর নেতৃত্বের পথচলা পরবর্তীতে ময়মনসিংহসহ বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিসরে এক সুসংগঠিত, আদর্শনিষ্ঠ ও সংগ্রামী নেতৃত্বে রূপ নেয়। ছাত্রআন্দোলন থেকে রাজপথ, রাজপথ থেকে জাতীয় রাজনীতি—প্রতিটি স্তরেই তিনি ছিলেন সক্রিয় ও সোচ্চার ভূমিকার প্রতীক।
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ১৪৮ ময়মনসিংহ–৩ গৌরীপুর সংরক্ষিত মহিলা আসন কেবল একটি সাংবিধানিক কাঠামো নয়; এটি নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং ত্যাগী নেতৃত্বকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তানজিন চৌধুরী লিলির মতো পরীক্ষিত, সাহসী ও আদর্শবান নেত্রীকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেওয়া হলে তা হবে ন্যায্য, যুক্তিসংগত এবং রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করেন, নীতিনিষ্ঠ ও জনমুখী রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাঁর মতো নেতৃত্ব আজ সময়ের অপরিহার্য দাবি। তাই সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে তানজিন চৌধুরী লিলিকে দেখতে চান তাঁরা—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা, এটাই তাঁদের ন্যায্য দাবি।
ভিওডি বাংলা/মোঃ হুমায়ুন কবির/ আ







