• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন দেশি-বিদেশি ১২০০ অতিথি

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৬ এ.এম.
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ফাইল ছবি

দুই যুগ পর আবারও রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)—আর সেই প্রত্যাবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা ঘিরে সম্পন্ন হয়েছে শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই বৃহৎ আয়োজনকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের প্রায় ১ হাজার ২০০ জন অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় ভারত, পাকিস্তান ও ভুটানসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন এবং জোটগতভাবে মোট ২১২টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে।

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গনেও চলছে জোর তৎপরতা। সরাসরি অংশ নিতে পারেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল।

এ ছাড়া উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ খলিল এবং শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসাও-এর। কূটনৈতিক সূত্রের ইঙ্গিত, শেষ মুহূর্তে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু-ও ঢাকায় আসতে পারেন। যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা অনুষ্ঠানে যোগ দিলে এর আন্তর্জাতিক গুরুত্ব আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার দিনের শুরুতেই বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে, যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

এর আগে গতকাল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দায়িত্বকালীন অভিজ্ঞতা এবং নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

শপথ অনুষ্ঠানের ভেন্যু হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা বিএনপির পক্ষ থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা, জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, বিশিষ্ট আইনজীবী, সাংবাদিক ও কূটনীতিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-কেও আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল। তবে পূর্বনির্ধারিত ‘ইন্ডিয়া-এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তার পরিবর্তে ওম বিড়লা ও ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি দেশটির প্রতিনিধিত্ব করবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই দেশে নতুন এক গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।

ভিওডি বাংলা/এমএস

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত : ইসি আনোয়ারুল
আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত : ইসি আনোয়ারুল
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা
পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা