রমজানে আল-আকসায় প্রবেশে কড়াকড়ির পরিকল্পনা ইসরায়েলের

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মুসলিমদের জন্য আল-আকসা মসজিদ-এ নামাজ আদায়ের প্রবেশাধিকার সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল—এমন তথ্য জানিয়েছেন জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি ও সুপ্রিম ইসলামিক কাউন্সিলের প্রধান শেখ একরিমা সাবরি। এ খবর প্রকাশ করেছে আনাদোলু এজেন্সি।
বার্তা সংস্থাটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একরিমা সাবরি বলেন, “মুসলিমরা আশার সঙ্গে রমজানকে স্বাগত জানায়, মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে। তিনি শাবান মাসের শেষ দিকে রমজানকে স্বাগত জানাতেন। কিন্তু জেরুজালেমের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা দুঃখিত, দখলদার কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদে আগত মুসল্লিদের ওপর কঠোর ব্যবস্থা আরোপ করতে যাচ্ছে।”
রমজানকে ঘিরে সম্ভাব্য এই বিধিনিষেধের পরিকল্পনায় দুঃখ প্রকাশ করেন জেরুজালেমের সাবেক এই গ্র্যান্ড মুফতি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে কয়েক ডজন তরুণ মুসল্লিকে মসজিদে প্রবেশ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে আসা উপাসনাকারীদের ক্ষেত্রে রমজানেও কোনো ধরনের শিথিলতা দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, “এর অর্থ হলো আরো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। ফলে আল-আকসা মসজিদ-এ মুসল্লিদের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় কম হবে। এটি স্বাধীনতার পরিপন্থী এবং মুসলমানদের রোজা পালনে ব্যাঘাত ঘটাবে।”
সাম্প্রতিক সময়ে পূর্ব জেরুজালেম এলাকার শত শত ফিলিস্তিনি বাসিন্দার বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানান তিনি। যাদের বেশিরভাগই তরুণ। এসব নির্দেশনার ফলে তারা রমজান মাসে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ করতে পারবেন না। কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এমএস







