ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল
| প্রাপ্ত আসন | ২১৩ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ৭০ |
| প্রতীক |
|
| প্রাপ্ত আসন | ৬ |
| প্রতীক |
|
সাবেক এমপি হারুনুর রশিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গণমানুষের নেতা, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর–বিজয়নগর–৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) বাদ জুম্মা শহরের মৌলভীপাড়া নিজ বাসভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতিতে গণমানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত সাবেক এই মন্ত্রীর সঙ্গে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাক্ষাৎকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক সাড়া পড়ে। সাক্ষাতের সময় দু’জনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় হয় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সার্বিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
সাক্ষাৎকালে নবনির্বাচিত এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল ফুলের তোড়া দিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রবীণ এই নেতাকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতিতে আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও ত্যাগী নেতাদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা পাওয়া আমাদের জন্য বড় সৌভাগ্যের। এলাকার মানুষ তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেই দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করবেন।”
অপরদিকে সাবেক মন্ত্রী হারুন আল রশিদ নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া যেমন সম্মানের, তেমনি দায়িত্বেরও বিষয়। এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই। জনগণের আস্থা ধরে রাখতে হলে রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সততা ও আদর্শিক দৃঢ়তা বজায় রাখা জরুরি।”
সাক্ষাৎ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, দলের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা, গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ সফিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা আমিন ধ্বনিতে অংশ নেন।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দলের অনেক নেতাকর্মী মামলা-হামলা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে আছেন। এমন প্রেক্ষাপটে প্রবীণ নেতাদের আশীর্বাদ ও দোয়া নতুন নেতৃত্বকে সাহস জোগায়। তারা মনে করেন, এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করবে।
সাক্ষাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, গ্রামাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তরুণ সমাজকে রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে। ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল বলেন, “আমি এলাকার তরুণদের আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগে যুক্ত করতে চাই, যাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হয়।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও প্রবীণ নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ব্যক্তিগত সৌজন্যের পাশাপাশি এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে দলীয় সমন্বয়, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের পথ সুগম করবে।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতিতে আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ দীর্ঘদিন ধরে গণমানুষের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যসহ নতুন প্রজন্মের নেতাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হয়। নবনির্বাচিত এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামলও স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নমুখী রাজনীতি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।







