জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে
সারজিস আলম:
প্রশাসন পেশাদার থাকলে কোনো অভিযোগ থাকবে না

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১১ দলীয় ঐক্য নির্বাচনী জোটের মনোনীত পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, তারা একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চান। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে প্রশাসন যদি পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে, তবে তাদের কোনো অভিযোগ থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে আটোয়ারী উপজেলার বামনকুমার রাখালদেবী হাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সারজিস আলম বলেন, তিনি বাবা ও ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন।
সারজিস আলম জানান, উৎসবমুখর পরিবেশে তিনি পঞ্চগড়-১ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের প্রতীক ‘শাপলা কলি’তে ভোট দিয়েছেন এবং একই সঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, অভ্যুত্থানের পর বহু শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে যে নতুন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলন ঘটবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে।
তিনি প্রত্যাশা প্রকাশ করেন, প্রত্যেকটি কেন্দ্রে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বজায় থাকবে। প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে তারা সর্বোচ্চ পেশাদার আচরণ প্রত্যাশা করছেন।
সারজিস আলম অভিযোগ করেন, বিগত কয়েক দিনে তার আসনের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ভোটারদের বাধা দেওয়া, হুমকি দেওয়া ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছেন। তবে নির্বাচনের দিনে যেন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য নির্বাচনে আসিনি। আমরা চাই এমন পরিবেশ থাকুক, যাতে অভিযোগ করার প্রয়োজন না হয়। কিন্তু কোথাও পেশিশক্তির প্রয়োগ, ভোটকেন্দ্রে বাধা বা ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে আমরা প্রথমে প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখব। তারা ব্যর্থ হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করব।”
সারজিস আলম জানান, পঞ্চগড়-১ আসনে ১৫৫টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলে জনগণের রায় মেনে নিতে তারা প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, গত দেড় বছরের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করেই এবার ভোটাররা তাদের সিদ্ধান্ত নেবেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পঞ্চগড়-১ আসনে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল সহনশীল আচরণ করলে ২৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে তারা বিজয়ী হবেন।
ভিওডি বাংলা/জা







